ইশরাককে ফিরিয়ে আনা না হলে শহীদ পরিবার থেকেই প্রতিমন্ত্রী চান যোদ্ধারা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করা ইশরাক হোসেনকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা জানান, তাঁকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলে শহীদ পরিবার কিংবা আহতদের মধ্য থেকেই কাউকে এই দায়িত্ব দিতে হবে।
- ইশরাক হোসেনকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদে পুনর্বহালের জোর দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
- তাঁকে ফেরানো সম্ভব না হলে শহীদ পরিবার, আহত ব্যক্তি বা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
- ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের কারণে শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও সহায়তার চলমান কাজ থেমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদে ইশরাক হোসেনকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিরা। বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত ও যোদ্ধাবৃন্দ'-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন, কোনো কারণে যদি ইশরাককে আগের দায়িত্বে পুনর্বহাল করা সম্ভব না হয়, তবে শহীদ পরিবার বা আহত ব্যক্তিদের মধ্য থেকেই যোগ্য কাউকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে জানানো হয়, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইশরাক হোসেন জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ ও তাঁদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে বেশ সক্রিয় ছিলেন। হঠাৎ তাঁর পদত্যাগের কারণে শহীদ পরিবার ও আহতদের মাঝে অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, মন্ত্রণালয়ের যে কাজগুলো দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছিল, তা এখন থমকে যেতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে প্রায় ৪০ জন সদস্য অংশ নেন, যার মধ্যে শহীদ পরিবারের ১১ জন অভিভাবক ও প্রত্যক্ষদর্শী যোদ্ধা সামনে থেকে বক্তব্য রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন বক্তব্য দেন জুলাই শহীদ রমিজ উদ্দিন আহমেদের বাবা এ কে এম রকিবুল আহমেদ। তিনি জানান, ইশরাক হোসেন দায়িত্ব পাওয়ার পর শহীদদের কবর স্থায়ী করাসহ বহু অমীমাংসিত জটিলতা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'ইশরাক হোসেনকে যেন আবার দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। আর যদি সেটি না-ই হয়, তবে জুলাই আন্দোলন ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থেকে কাজ করা কোনো শিক্ষিত, সৎ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে অথবা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীল কাউকে এই মন্ত্রণালয়ে বসানো হোক।'
জুলাই অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের বিভিন্ন পদায়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। শহীদ পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে সরাসরি এমন বিকল্প প্রস্তাব আসায় বিষয়টি এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আশা করছে, তাঁদের আত্মত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন করতে মন্ত্রণালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সেন্টিমেন্ট ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
“জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর শহীদ পরিবারগুলোর প্রত্যাশা ও প্রশাসনিক রদবদলের মধ্যে একটি সংবেদনশীল প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের পর মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা নিয়ে আন্দোলনকারীদের উদ্বেগ যৌক্তিক। শহীদ পরিবার থেকে প্রতিনিধি চাওয়ার এই দাবিটি সরকারের ওপর রাজনৈতিক ও নৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে, যা দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



