Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

এই সড়কে দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
এই সড়কে দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়। মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়।
  • মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক।
  • প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই সড়কে চলাচলে এখন আতঙ্ক থাকেন লোকজন।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়। মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই সড়কে চলাচলে এখন আতঙ্ক থাকেন লোকজন। দিনের বেলাতেও ভয়ে ভয়ে চলাচল করতে হয়। সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। এ চিত্র কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারি সড়কের। প্রায় সময় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে যানবাহন থামানো হয়।

এরপর অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের নামিয়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। চলে মারধর, টাকা ও মুঠোফোন লুট। কখনো অপহরণ করে আদায় করা হয় মুক্তিপণ। ঘটেছে খুনের ঘটনাও। গত সোমবার সকাল ও দুপুরে সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় দুই দফায় অন্তত ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে সড়কটির নিরাপত্তাহীনতার চিত্র। এ ঘটনায় মারধরে আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লুটপাট চললেও ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল ছিল না।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার বলেন, দুর্বৃত্তরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে লুটপাটের পর জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগও দেননি। কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন দেড় লাখের বেশি মানুষ। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড়ি জঙ্গলঘেরা সড়কটির প্রথম সাত কিলোমিটার ঈদগাঁও উপজেলায়, পরের পাঁচ কিলোমিটার রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নে এবং শেষ পাঁচ কিলোমিটার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারি ইউনিয়নে পড়েছে। পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে ২০০৯ সাল থেকে।

ওই সময় থেকে জঙ্গলঘেরা সড়কটির পাশের পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গড়ে ওঠে। এরপর একের পর এক অপরাধের ঘটনা ঘটতে থাকে। গত ১৭ বছরে সড়কটিতে খুন হয়েছেন অন্তত চারজন। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৫০টির বেশি। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল প্রথম আলোকে বলেন, সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় ডাকাতি, খুন ও অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটে। সড়কটি দুই থানার আওতায় হওয়ায় অপরাধের ঘটনায় এক থানা অন্য থানার কথা বলে। পুলিশের একার পক্ষে ডাকাতি প্রতিরোধ করাও কঠিন। তাঁর ভাষ্য, ঈদগড় ইউনিয়নের দুটি গ্রামে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। এসব দলের সদস্যরা মাদক চোরাচালান, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, বালু ও কাঠের ব্যবসা এবং মিয়ানমারের মালামাল পাচারে জড়িত।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“যোগাযোগ ব্যবস্থার এই সংযোগ আঞ্চলিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মেয়াদে কাজ সম্পন্ন করা এবং আর্থিক বরাদ্দের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম