Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া আঁখির পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া আঁখির পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

চরম অভাব ও ঋণের দায়ে নিজের গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া অসহায় নারী আঁখির দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর তিনি পরিবারটির খোঁজ নেন এবং চিকিৎসার খরচসহ আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • অভাবের কারণে গর্ভের সন্তান বিক্রির খবর গণমাধ্যমে এলে প্রধানমন্ত্রীর নজরে পড়ে।
  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
  • পরিবারটিকে এক লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে এবং সন্তান প্রসবের যাবতীয় খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

চরম দারিদ্র্য ও ঋণের চাপে দিশেহারা হয়ে নিজের গর্ভের অনাগত সন্তান বিক্রি করতে চেয়েছিলেন আঁখি নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারী। তৃতীয়বারের মতো মা হতে যাওয়া এই নারীর করুণ গল্প গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। খবরটি দেখে তিনি কালবিলম্ব না করে মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে অসহায় পরিবারটির জীবনে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, আঁখির পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছেন। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা ও দৈনন্দিন সংসার চালাতে গিয়ে পরিবারটি ঋণের সাগরে ডুবে যায়। পাওনাদারদের চাপ এবং সংসারের তীব্র অনটন সামলাতে না পেরেই আঁখি নিজের গর্ভের সন্তান বিক্রির মতো হৃদয়বিদারক পথ বেছে নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। খবরটি প্রকাশের পরপরই প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং এক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের সার্বিক পরিস্থিতি চিহ্নিত করা হয়।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর রোববার আঁখি ও তার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে তাদের হাতে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে এক লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আঁখির সন্তান প্রসবের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করার ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, পরিবারটি যাতে নিয়মিত আয়ের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেজন্য তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হবে।

প্রান্তিক মানুষের চরম মানবিক সংকটে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এমন সরাসরি হস্তক্ষেপ জনমনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ব্যক্তিগত সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করা জরুরি, যাতে দেশের কোনো নাগরিককে অভাবের তাড়নায় এমন মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবতে না হয়। পরিবারটি এখন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেয়ে সুস্থ ও নিরাপদে নতুন সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যমের সংবেদনশীল প্রতিবেদন যখন কোনো অসহায় মানুষের কষ্ট তুলে ধরে এবং প্রশাসন দ্রুত সাড়া দেয়, তখন সমাজে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়। তবে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রতিটি জেলায় সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম