চবি ছাত্রশক্তির কমিটি স্থগিত, সভাপতির নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির ৫২ সদস্যের কমিটি গঠনের মাত্র তিন মাসের মাথায় তা স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় সংসদ। সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথিরের দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা এবং সংগঠনের কার্যক্রমে গতি না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- কমিটি ঘোষণার মাত্র তিন মাসের মাথায় চবি ছাত্রশক্তির কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্র।
- শাখা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথিরের সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।
- কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে শিগগিরই নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের মাত্র তিন মাসের মাথায় তা স্থগিত করেছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটায় কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বাকের মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরীর নির্দেশনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৭ জুলাই আব্দুল্লাহ আল মাহাথিরকে সভাপতি, মো. ইসমাইলকে সাধারণ সম্পাদক ও মো. উলফাতুল রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৫২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিটি প্রকাশের পর থেকেই ক্যাম্পাসে সংগঠনের তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। সভাপতি মাহাথির দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্ক্রিয় থাকায় অন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধে। এর জেরে মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে জরুরি সভা করে শাখা কমিটি, যেখানে সভাপতির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তোলা হয়।
এ বিষয়ে সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাথির নিজের অবস্থান তুলে ধরে জানান, মাস্টার্স শেষ পর্যায়ে থাকায় তিনি ক্যারিয়ার ও ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে ক্যাম্পাসে নিয়মিত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না, যার ফলে সংগঠনের কাজে ভাটা পড়ছিল। তিনি নিজেও নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের পক্ষে ছিলেন। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল জানান, কয়েকটি পদে রদবদল ও সংগঠনকে নতুন করে সাজানোর লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় কমিটি এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরী স্পষ্ট করেছেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করতে পারছিল না। সংগঠনের কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে খুব শিগগিরই চবি শাখায় সক্রিয় ও কার্যকর নেতৃত্ব ঘোষণা করা হবে।
“ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম বেগবান রাখতে শীর্ষ পদের সক্রিয়তা অত্যন্ত জরুরি। চবি ছাত্রশক্তিতে শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে মাঠপর্যায়ে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনে কেন্দ্রীয় কমিটির দ্রুত পদক্ষেপ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



