মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ে প্রশাসনের লোক জড়িত: এনসিপি নেতা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের কিছু ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক দলের লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব জোবাইরুল আলম মানিক।
- আনোয়ারার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দেন এনসিপি নেতা জোবাইরুল আলম মানিক।
- প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্য ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের কারণে কিশোর গ্যাং ও মাদক চক্র বাড়ছে বলে তিনি দাবি করেন।
- আসন্ন আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে জনগণের সরাসরি সমর্থন চান তিনি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এলাকায় মাদক ব্যবসা এবং কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যের পেছনে প্রশাসনের কিছু লোক ও রাজনৈতিক সুবিধাবাদীদের মদদ রয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব জোবাইরুল আলম মানিক স্থানীয় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সমাজে এখনো ছিনতাই, মাদক ও সন্ত্রাসের মতো মারাত্মক সমস্যা জেঁকে বসে আছে। এখনই সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে না তুললে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পুরোপুরি বিপথগামী হয়ে পড়বে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার অর্ধশতাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এনসিপির এই নেতা। এ সময় তিনি মন্দির পরিচালনা কমিটির হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। সেখানে তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, কিশোর অপরাধীরা হঠাৎ তৈরি হয় না। পরিবারের সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধুদের বিষয়ে অভিভাবকদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। কোনো পরিবার যেন মাদকের করাল গ্রাসে ধ্বংস না হয়, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।
অপরাধীদের রুখতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে জোবাইরুল আলম মানিক বলেন, মানুষের মধ্যে ঐক্য থাকলে মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী চক্র সমাজে ফাটল ধরাতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেন। এলাকার সন্তান হিসেবে তিনি মানুষের সেবা করার সুযোগ চান এবং এলাকার কল্যাণের স্বার্থেই সাধারণ মানুষকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এনসিপির চট্টগ্রাম জেলা ও স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে এনসিপি নেতা রিদুওয়ানুল করিম হৃদয়, শাহেদুল আলম শাহেদ, জহির উদ্দিন চৌধুরী হিমেল ও ডালিয়া বড়ুয়াসহ ছাত্রশক্তির আনোয়ারা শাখার শীর্ষ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নিরপেক্ষ পুলিশি তৎপরতা ছাড়া আনোয়ারা থেকে কিশোর গ্যাং ও মাদকচক্র দমন করা কঠিন হবে।
“মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নতুন নয়, তবে এনসিপি নেতার এই প্রকাশ্য বক্তব্য তৃণমূলের বাস্তব সংকটকেই সামনে এনেছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী ঘোষণার মধ্য দিয়ে অপরাধ দমনের ইস্যুটি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



