সরকারি দপ্তরে এক লাখ পদে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ আটকে গেল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আউটসোর্সিং নীতিমালায় নতুন পরিবর্তনের কারণে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় এক লাখ অস্থায়ী পদে নিয়োগ কার্যক্রম পুরোপুরি থমকে গেছে। সরকারি ক্রয় বিধিমালার সঙ্গে নতুন নিয়মের অসঙ্গতি থাকায় মন্ত্রণালয়গুলো নিয়োগ দিতে পারছে না।
- ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে প্রায় ১ লাখ অস্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে।
- নতুন নীতিমালায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বদলে সরাসরি বা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
- সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর)-এ সরাসরি ব্যক্তির সেবা কেনার নিয়ম না থাকায় আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় এক লাখ অস্থায়ী পদে নিয়োগ কার্যক্রম হঠাৎ স্থবির হয়ে পড়েছে। আউটসোর্সিং সেবা সংক্রান্ত নীতিমালায় হঠাৎ পরিবর্তন আনার ফলে এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি কর্মী সংকটের মধ্যেও নিয়ম জটিলতায় মন্ত্রণালয়গুলো নতুন করে কোনো জনবল নিতে পারছে না, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ নাগরিকদের সেবা পাওয়ার ওপর।
এত দিন পর্যন্ত সরকারের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির এসব পদে বেসরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মী সরবরাহ নেওয়া হতো। তবে গত ২১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ সংশোধন করে। নতুন নিয়মে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লোক নেওয়ার পথ বন্ধ করে সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে সেবা নেওয়া অথবা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আইআইএফসির মাধ্যমে নিয়োগের বিধান করা হয়।
নীতিমালা জারি হলেও সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা (পিপিআর)-এর সঙ্গে তা সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিপিআরে সরাসরি কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে এমন অস্থায়ী সেবা কেনার স্পষ্ট নিয়ম নেই। এছাড়া আগে থেকে যেসব দরপত্র প্রক্রিয়া চালু ছিল, সেগুলোর বিষয়েও নীতিমালায় কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগসহ একাধিক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়ে অর্থ বিভাগকে চিঠি পাঠিয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছে অর্থ বিভাগ। এজন্য বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটিকে (বিপিপিএ) চিঠি দিয়ে আইন পর্যালোচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইনগত এই জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে থমকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হওয়ার সুযোগ নেই।
“নীতিমালা জারির আগে সংশ্লিষ্ট ক্রয় আইনের সঙ্গে সমন্বয় না করায় প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এক লাখ পদে নিয়োগ থমকে যাওয়ায় একদিকে সরকারি সেবা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগও আটকে রয়েছে। দ্রুত আইন সংশোধন করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ চালু করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



