রংপুরে স্কুল কর্মকর্তা রতনকে কুপিয়ে হত্যা, জড়িতদের শাস্তির দাবি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রংপুরের কাউনিয়ায় নশিক ট্রাস্ট একাডেমির সুপারিনটেনডেন্ট ফখরুল আলম রতনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। অসুস্থ মাকে দেখতে গ্রামে যাওয়ার পর চায়ের দোকানে তার ওপর হামলা চালানো হয়। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি করেছে।
- অসুস্থ মাকে দেখতে কাউনিয়ায় নিজ গ্রামে গিয়ে কুপিয়ে হত্যার শিকার হন ফখরুল আলম রতন।
- নিহত রতন পীরগাছার নশিক ট্রাস্ট একাডেমির সুপারিনটেনডেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন।
- হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় ফখরুল আলম রতন (৫০) নামের এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত রতন পীরগাছার নশিক ট্রাস্ট একাডেমির সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাউনিয়ার হরিচরণ লস্কর গ্রামে অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দেখতে যাওয়ার পর তিনি এই হামলার শিকার হন। বিকেলে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বের হলে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে পরিবারের অভিযোগ।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চাকরির সুবাদে ফখরুল আলম রতন পরিবার নিয়ে পীরগাছার নটাবাড়িতে বসবাস করতেন। তার অন্য ভাইয়েরা বাইরে চাকরি করায় ছোট ভাই গ্রামে থাকতেন। স্বজনদের অভিযোগ, বিগত রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে তাদের পরিবারের ওপর নানাভাবে নির্যাতন ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি অতীতে তাদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছিল। দীর্ঘদিনের এই বিরোধ ও শত্রুতার ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বজনদের দাবি।
মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। নিহতের কিশোরী মেয়ে রওশন জাহান রজনী কান্নায় ভেঙে পড়ে বাবার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। স্বজনরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে এই অপকর্মগুলো চালিয়ে আসছিল এবং পূর্বে থানায় অভিযোগ দিয়েও তারা নিরাপত্তা পাননি।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদল কুমার মন্ডল জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পেছনের মূল কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
“একটি সমাজ কতটা নিরাপদ, তা বোঝা যায় যখন একজন সাধারণ পেশাজীবী মানুষ নিজ গ্রামে গিয়েও নিরাপদ বোধ করতে পারেন না। কাউনিয়ার এই নির্মম হত্যাকাণ্ড স্থানীয় আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতা এবং দীর্ঘদিনের সামাজিক-রাজনৈতিক বিরোধের বিপজ্জনক ফল। প্রশাসনকে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা তৈরি না হয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



