Read in English
পাঠক সুবিধা:
অপরাধ ও আইনখুলনা

নদী পার করার কথা বলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তেরখাদায় গ্রেপ্তার ৩

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
নদী পার করার কথা বলে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তেরখাদায় গ্রেপ্তার ৩
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

খুলনার তেরখাদায় নদী পার করে দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে নৌকায় তুলে নিয়ে পরিত্যক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • নদী পারাপারের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে নৌকায় তুলে নারীকে নির্জন বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়
  • ঘটনার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
  • ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

খুলনার তেরখাদা উপজেলায় নদী পার করে দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে নৌকায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের শ্যামনগর এলাকার একটি পরিত্যক্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী নদী পার হয়ে দিঘলিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে মধুপুর ইউনিয়নের বেলেঘাট এলাকায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন। গভীর রাতে নদীতে মাছ ধরার কাজে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে নদী পার করে দেওয়ার কথা বলে নৌকায় তোলে। তবে গন্তব্যে না নিয়ে তারা তাকে জোরপূর্বক নদীর অদূরে শ্যামনগর এলাকার একটি পরিত্যক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যায় এবং সেখানে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর তেরখাদা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মধুপুর এলাকার সামিউল শেখ (২৮), মাজাহারুল কাজী (২২) এবং শাজাহান শরীফ (৩৮)। খুলনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এই জঘন্য অপরাধে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রত্যন্ত নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে রাতের বেলা নিরাপত্তা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, যাতে সাধারণ পথচারী ও নারীরা এমন নির্মম অপরাধের শিকার না হন।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“নদী পারাপারের মতো সাধারণ প্রয়োজনের সুযোগ নিয়ে এমন বর্বর অপরাধ গ্রামীণ ও দুর্গম জনপদে নারীদের চলাচলের তীব্র নিরাপত্তাহীনতাকে তুলে ধরে। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার প্রশাসনের ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও বিচ্ছিন্ন ঘাট ও পরিত্যক্ত স্থাপনাগুলোর নজরদারি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম