Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

বিদেশি টাকায় ভারতে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে: দিলীপ ঘোষ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
বিদেশি টাকায় ভারতে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে: দিলীপ ঘোষ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ভারতে বিশৃঙ্খলা তৈরির পেছনে বিদেশি অর্থায়ন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। কলকাতার ইকো পার্কে সাংবাদিকদের তিনি জানান, দিল্লি থেকে কলকাতায় অর্থ পৌঁছাচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে উত্তেজনা তৈরির অপচেষ্টা চলছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • ভারতে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে বিদেশি অর্থ আসার গুরুতর অভিযোগ আনলেন দিলীপ ঘোষ।
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টার কথাও বলেন তিনি।
  • দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবির পেছনে বিদেশি গোষ্ঠীর হাত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ভারতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরির পেছনে বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আসছে বলে অভিযোগ তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে কলকাতার নিউ টাউনের ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন। দিলীপ ঘোষের ভাষ্যমতে, রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে কলকাতা পর্যন্ত নানা জায়গায় সন্দেহজনক অর্থ লেনদেন হচ্ছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত।

দিলীপ ঘোষ আরও দাবি করেন, প্রতিবেশী বাংলাদেশেও কিছু ভারতবিরোধী দল ও গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, যারা সবসময় ভারতের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়ে আসছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে এই চক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভারতে নানা ধরনের উসকানি ছড়ানো হচ্ছে। তবে ভারত সরকার সবসময় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের উন্নতি ও অগ্রগতি চায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এর আগে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী দাবি করেন, ওই প্রতিবাদের নেপথ্যেও বিদেশি ইন্ধন ও ভারতবিরোধী মহলের হাত ছিল। তারা দিল্লি ও কলকাতায় নানা কৌশলে তৎপরতা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

যদিও নিজের করা এসব গুরুতর অভিযোগের সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেননি দিলীপ ঘোষ। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক টানাপোড়েন ঘিরে সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার এমন বক্তব্য আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে। প্রশাসন বিষয়টি কতটা খতিয়ে দেখছে, তা নিয়ে নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্য ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ক এবং আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির সংবেদনশীলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। প্রমাণ ছাড়া বিদেশি অর্থায়ন বা প্রতিবেশী দেশের গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রায়শই বড় রাজনৈতিক আলোচনার অংশ হয়ে ওঠে। প্রশাসন যদি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্তের তথ্য প্রকাশ না করে, তবে এটি কেবল রাজনৈতিক বিবৃতি হিসেবেই থেকে যেতে পারে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম