নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যার ঘটনায় আরও একজন গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে আশিকুর রহমান ওরফে প্রাঙ্গণ নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ নিয়ে মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলো এবং হত্যাকাণ্ডে মোট সাতজনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
- দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে আশিকুর রহমান নামের আরেক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪।
- হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট দুজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
- তদন্তে সাতজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মঙ্গলবার গভীর রাতে দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে আশিকুর রহমান ওরফে প্রাঙ্গণ নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। গ্রেপ্তার আশিকুর দুর্গাপুর পৌরসভার বাগিচাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং এলাকায় 'শুটার শামীম' হিসেবে পরিচিত ব্যক্তির সহযোগী বলে জানা গেছে।
এর আগে গত শনিবার রাতে শহরের মধ্যবাজার এলাকা থেকে সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্ব নামের এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। স্থানীয় অপরাধচক্রের সাথে যুক্ত সাজিবুলকে আদালতে হাজির করে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে দুর্গাপুরের তেলুনজিয়া এলাকায় নিজের শ্বশুরবাড়ির সামনের একটি দোকানে বসা অবস্থায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামানকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, তাঁর শরীরে ছয়টি গুলির আঘাতের চিহ্ন ছিল।
মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনার পেছনে কারা কাজ করেছে তা বের করতে পুলিশ দ্রুত কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সরাসরি অংশ নেওয়া এবং পরিকল্পনায় থাকা অন্তত সাতজনের নাম পাওয়া গেছে। তবে অভিযানের গোপনীয়তা ও তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের পূর্ণ পরিচয় এখনই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে না। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
একজন সংবাদকর্মীকে এভাবে গুলি করে হত্যার ঘটনায় নেত্রকোনা ও আশপাশের এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা দ্রুত বাকি খুনিদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ উদঘাটন এবং এজাহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন সবাইকে আইনের আওতায় আনতে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
“সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে দ্রুত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার তদন্তের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে কেবল সহযোগীদের ধরলেই চলবে না, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের মূল নির্দেশদাতা ও সরাসরি অংশ নেওয়া অস্ত্রধারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



