যুদ্ধ থামাতে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন দূত উইটকফ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্য নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করতে রাশিয়ায় পৌঁছেছেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান রাশিয়ার বিশেষ দূত। এর আগে নরওয়েতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি।
- যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করছেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ।
- রাশিয়া সফরের আগে নরওয়েতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সফল বৈঠক সারেন তিনি।
- অসুস্থতার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে প্রতিনিধিদলের সঙ্গী হতে পারেননি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ইউক্রেন ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের যুদ্ধ থামাতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে ওয়াশিংটন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে অংশ নিতে রাশিয়ায় পৌঁছেছেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। সেন্ট পিটার্সবার্গ বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান রাশিয়ার বিশেষ প্রতিনিধি কিরিল দিমিত্রিভ। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য পথ খোঁজার লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
রাশিয়া পৌঁছানোর ঠিক আগেই নরওয়েতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন মার্কিন দূত উইটকফ। ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সেই আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও জেলেনস্কি ও উইটকফের মধ্যকার এই সংলাপকে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হিসেবে তুলে ধরেন। কিয়েভের অবস্থান স্পষ্ট জেনেই মস্কোর দরবারে হাজির হয়েছেন মার্কিন মধ্যস্থতাকারী।
তবে মার্কিন প্রতিনিধিদলে বড় ধরনের একটি পরিবর্তন চোখে পড়েছে। এর আগে জেলেনস্কির সঙ্গে নরওয়ের বৈঠকে সরাসরি উপস্থিত থাকলেও রাশিয়া সফরে অংশ নিতে পারেননি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতার কারণে শেষ মুহূর্তে তিনি মস্কো সফর থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বলে জানা গেছে। ফলে একাই পুতিনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে উইটকফকে।
আন্তর্জাতিক মহলের চোখ এখন সেন্ট পিটার্সবার্গের এই বৈঠকের দিকে। রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে ওয়াশিংটন কীভাবে কিয়েভ ও মস্কোর স্বার্থের সমন্বয় ঘটায়, তা নিয়ে নানা সমীকরণ চলছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের কঠোর অনড় অবস্থানের মধ্যেও এই সরাসরি আলোচনা শান্তিচুক্তির প্রাথমিক পথ তৈরি করতে পারে।
“মার্কিন দূতের এই ধারাবাহিক সফর ইঙ্গিত দেয় যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে একটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজছে আন্তর্জাতিক পক্ষগুলো। জেলেনস্কির পর পুতিনের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হলে তা ইউরোপের সামগ্রিক ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



