প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরই প্রত্যাহার হলেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর চলাকালে বিমানবন্দরে প্রোটোকল না মানার অভিযোগ ওঠার পরই এই সিদ্ধান্ত এলো। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রেজাউল আলম সরকার।
- রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে ঢাকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীর বিদায়লগ্নে বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
- বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মো. রেজাউল আলম সরকার।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ইউসুফ আলীকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ সংক্রান্ত আদেশ জারির পরপরই তিনি দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিয়ে রাজশাহী ত্যাগ করেন। হঠাৎ এই রদবদলের পর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. রেজাউল আলম সরকারকে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে সাময়িক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরকে কেন্দ্র করে। সফর শেষে শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বিভাগীয় কমিশনারের একটি আচরণকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি নির্ধারিত প্রোটোকলের সারি ভেঙে কিছুটা অপ্রস্তুতভাবে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে গিয়েছিলেন। রাষ্ট্রাচার লঙ্ঘনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলে দ্রুত নজরে আসে।
তীব্র আলোচনার মুখে রাতেই তাকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রশাসনিক প্রয়োজনেই তাকে রাজশাহী থেকে সরিয়ে ঢাকায় সংযুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার সকালেই তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কড়া বার্তা দেওয়া হয়, যার ফলে কালক্ষেপণ না করে রাতের আঁধারেই তিনি ব্যক্তিগত গাড়িতে ঢাকায় রওনা হন।
প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে এমন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কড়া সতর্কবার্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভিআইপি প্রোটোকল এবং রাষ্ট্রীয় রীতিনীতি কঠোরভাবে মেনে চলার ক্ষেত্রে সরকারের শূন্য সহনশীল অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ঘটনাকে। দ্রুতই সেখানে পূর্ণাঙ্গ নতুন বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
“রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল বজায় রাখা একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পেশাগত দায়িত্বের মূল অংশ। প্রধানমন্ত্রীর মতো রাষ্ট্রীয় শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতিতে নিয়ম ভাঙার ঘটনায় তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



