বাংলায় পড়ুন
Reader Tools:
National📍 dhaka

এই সড়কে দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল

Cholti News English Desk10/21/2026
2 min read10 views
AI Neural Voice Audio

1-Click Audio Report (Universal Voice)

00:00Google Cloud Neural Audio00:00
এই সড়কে দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল
Full View
Photo: Archive • Cholti News Special Coverage
Executive Briefing & Key Context

দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়। মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক।

3 Essential Key Takeaways
  • দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়।
  • মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক।
  • প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই সড়কে চলাচলে এখন আতঙ্ক থাকেন লোকজন।
SPONSORED PARTNERNational Savings Bureau

National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme

Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.

Learn More

দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়। মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই সড়কে চলাচলে এখন আতঙ্ক থাকেন লোকজন। দিনের বেলাতেও ভয়ে ভয়ে চলাচল করতে হয়। সন্ধ্যা নামলেই বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। এ চিত্র কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারি সড়কের। প্রায় সময় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে যানবাহন থামানো হয়।

এরপর অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের নামিয়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। চলে মারধর, টাকা ও মুঠোফোন লুট। কখনো অপহরণ করে আদায় করা হয় মুক্তিপণ। ঘটেছে খুনের ঘটনাও। গত সোমবার সকাল ও দুপুরে সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় দুই দফায় অন্তত ৬০টি যানবাহনে ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে সড়কটির নিরাপত্তাহীনতার চিত্র। এ ঘটনায় মারধরে আহত হয়েছেন অন্তত সাতজন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লুটপাট চললেও ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল ছিল না।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার বলেন, দুর্বৃত্তরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে লুটপাটের পর জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগও দেননি। কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করেন দেড় লাখের বেশি মানুষ। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাহাড়ি জঙ্গলঘেরা সড়কটির প্রথম সাত কিলোমিটার ঈদগাঁও উপজেলায়, পরের পাঁচ কিলোমিটার রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নে এবং শেষ পাঁচ কিলোমিটার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারি ইউনিয়নে পড়েছে। পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে ২০০৯ সাল থেকে।

ওই সময় থেকে জঙ্গলঘেরা সড়কটির পাশের পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গড়ে ওঠে। এরপর একের পর এক অপরাধের ঘটনা ঘটতে থাকে। গত ১৭ বছরে সড়কটিতে খুন হয়েছেন অন্তত চারজন। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৫০টির বেশি। কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল প্রথম আলোকে বলেন, সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় ডাকাতি, খুন ও অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটে। সড়কটি দুই থানার আওতায় হওয়ায় অপরাধের ঘটনায় এক থানা অন্য থানার কথা বলে। পুলিশের একার পক্ষে ডাকাতি প্রতিরোধ করাও কঠিন। তাঁর ভাষ্য, ঈদগড় ইউনিয়নের দুটি গ্রামে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের আস্তানা রয়েছে। এসব দলের সদস্যরা মাদক চোরাচালান, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, বালু ও কাঠের ব্যবসা এবং মিয়ানমারের মালামাল পাচারে জড়িত।

Cholti News Perspective • Neutral AI Analysis

“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”

Compiled, verified, and edited under Cholti News Editorial Guidelines.
SHARE THIS STORY: