চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী যাত্রা মোহন সেন হলের (জে এম সেন হল) দুর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে দলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের নিয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় আয়োজক কমিটির হাতে ২০ লাখ টাকার চেকও তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে এর আগে সামরিক বিমানযোগে আজ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী যাত্রা মোহন সেন হলের (জে এম সেন হল) দুর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন। আজ মঙ্গলবার রাত সোয়া আটটার দিকে দলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের নিয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় আয়োজক কমিটির হাতে ২০ লাখ টাকার চেকও তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে এর আগে সামরিক বিমানযোগে আজ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এর আগে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এটুকু বলার জন্য—এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সকলের। আমরা যেই ধর্মের হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি। যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে আমরা বড় হচ্ছি, আমরা এই দেশের নাগরিক। আমাদের একমাত্র পরিচয়, ধর্মের পরিচয় নয়; আমাদের একমাত্র পরিচয়, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে এই বাংলাদেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। যুদ্ধের মাধ্যমে তারা এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ছিনিয়ে এনেছিল...যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন, যাঁরা শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। সে সময়ও ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেদিনও কিন্তু আমরা দেখিনি, আমার পাশের কর্মীটি কোন ধর্মের।’
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিখিল কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জে এম সেন হলে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এর আগে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের জে এম সেন হলে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এটুকু বলার জন্য—এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সকলের। আমরা যেই ধর্মের হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি। যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে আমরা বড় হচ্ছি, আমরা এই দেশের নাগরিক। আমাদের একমাত্র পরিচয়, ধর্মের পরিচয় নয়; আমাদের একমাত্র পরিচয়, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে এই বাংলাদেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। যুদ্ধের মাধ্যমে তারা এই প্রিয় মাতৃভূমিকে ছিনিয়ে এনেছিল...যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন, যাঁরা শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। সে সময়ও ছাত্র-জনতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেদিনও কিন্তু আমরা দেখিনি, আমার পাশের কর্মীটি কোন ধর্মের।’