Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

হার্ট অ্যাটাকে জীবন বাঁচাতে সিপিআর দেওয়ার সহজ নিয়ম

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
হার্ট অ্যাটাকে জীবন বাঁচাতে সিপিআর দেওয়ার সহজ নিয়ম
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে সিপিআর অত্যন্ত কার্যকর একটি প্রাথমিক চিকিৎসা। সঠিক সময়ে এবং সঠিক নিয়মে বুকের ওপর চাপ ও কৃত্রিম শ্বাস দিলে জরুরি সহায়তার আগ পর্যন্ত রোগীর মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • অচেতন ব্যক্তির নাড়ির স্পন্দন না পাওয়া গেলে অনতিবিলম্বে সিপিআর শুরু করা উচিত।
  • বুকের মাঝখানে মিনিটে ১০০ থেকে ১২০ বার দ্রুত ও শক্তভাবে চাপ দিতে হয়।
  • প্রতি ৩০ বার বুকে চাপ দেওয়ার পর আক্রান্ত ব্যক্তির মুখে ২ বার কৃত্রিম শ্বাস দেওয়া প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

কাজের জায়গায়, খেলার মাঠে কিংবা হাঁটার সময় হঠাৎ কাউকে অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। অনেক সময় আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষেরও আচমকা হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বা হার্টবিট বন্ধ হয়ে যায়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বলা হয়। এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে অ্যাম্বুলেন্স বা চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর আগের কয়েক মিনিটই রোগীর বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে মূল্যবান সময়। এই সময়ে তাৎক্ষণিকভাবে সিপিআর বা কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন দেওয়া গেলে একজন মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

কোনো ব্যক্তি হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে প্রথমে নিরাপদ স্থানে নিয়ে জোরে ডেকে তাঁর সাড়া পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এরপর ঘাড়ের পাশে ক্যারোটিড পালস বা রক্তনালির স্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করা জরুরি। যদি কোনো স্পন্দন না থাকে এবং শ্বাস বন্ধ থাকে, তবে কালবিলম্ব না করে দ্রুত জরুরি অ্যাম্বুলেন্স বা হেল্পলাইনে খবর দিতে হবে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ডের মধ্যে প্রাথমিক কাজ সেরে রোগীকে শক্ত মেঝেতে শুইয়ে সিপিআর দেওয়া শুরু করতে হবে।

সিপিআর দেওয়ার মূল নিয়ম হলো রোগীর বুকের ঠিক মাঝখানে এক হাতের ওপর অন্য হাত রেখে সোজা হয়ে শক্ত চাপ দেওয়া। এই চাপের গভীরতা হবে প্রায় দুই ইঞ্চি এবং গতি হতে হবে মিনিটে ১০০ থেকে ১২০ বার। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৩০ বার বুকে চাপ দেওয়ার পর আক্রান্ত ব্যক্তির নাক বন্ধ করে মুখে মুখ লাগিয়ে ২ বার কৃত্রিম শ্বাস দিতে হবে। শ্বাস দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে বুকের খাঁচা ওঠানামা করছে কি না। এভাবে হাসপাতালে না পৌঁছানো পর্যন্ত বা নাড়ির স্পন্দন ফিরে না আসা পর্যন্ত চক্রটি চালিয়ে যেতে হয়।

চিকিৎসকদের মতে, প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজনের সঠিক নিয়মে সিপিআর দেওয়ার প্রশিক্ষণ থাকা উচিত। দেশে ও বিদেশে প্রায়ই দেখা যায় কেবল প্রাথমিক চিকিৎসার অভাবে অনেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান। সাধারণ নাগরিক পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্কুল-কলেজ ও কর্মক্ষেত্রে সিপিআর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত আকস্মিক মৃত্যুর হার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যুর হার কমাতে জনসচেতনতা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার জ্ঞান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সাধারণ মানুষকে সিপিআর শেখানোর ব্যবস্থা করলে বহু মূল্যবান প্রাণ রক্ষা পাবে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম