আজ মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি আকাশপথে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট দেখা ছাড়াও মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ কাজ ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন।
- বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।
- আকাশপথে হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন শেষে খুলনার দাকোপে নামবেন তিনি।
- দুপুরে মোংলা বন্দরে সভা ও প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন ঘুরে দেখার কথা রয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় আজ বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের অগ্রগতি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে আটটায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। এরপর সকাল নয়টায় হেলিকপ্টারযোগে তাঁর সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। সকাল দশটার দিকে তিনি আকাশপথে সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করবেন। এরপর সকাল সাড়ে দশটায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর হেলিকপ্টার অবতরণ করবে।
দাকোপ থেকে সড়ক ও নৌপথ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাটের বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছাবেন। সেখানে মধ্যাহ্ন বিরতির পর দুপুর পৌনে দুইটায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। বৈঠকে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার কথা রয়েছে।
দিনের শেষভাগে বিকাল সোয়া তিনটায় প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকা পরিদর্শন করবেন। স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি আনা এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে এই অঞ্চলের উন্নয়ন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় তাঁর ঢাকায় ফিরে আসার কথা রয়েছে।
“মোংলা বন্দর এবং উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে এই সফরটি অত্যন্ত অর্থবহ। নদীপথ ও বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে পারলে তা দেশের জাতীয় বাণিজ্য ও রপ্তানি আয়ে দীর্ঘমেয়াদে বড় ভূমিকা রাখবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



