রাজবাড়ীতে ১০১ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০১ পিস ইয়াবাসহ মো. আশরাফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। কর্মকর্তাদের দাবি, তিনি একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে।
- পাংশা উপজেলার সুবর্ণখোলা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে ১০১ পিস ইয়াবাসহ আশরাফুল ইসলাম গ্রেপ্তার।
- অভিযান পরিচালনা করে রাজবাড়ী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ দল।
- ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়ের করে পাংশা থানায় হস্তান্তর।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজবাড়ীর পাংশায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. আশরাফুল ইসলাম (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে উপজেলার সুবর্ণখোলা গ্রামে আশরাফুলের নিজ বসতবাড়িতে এই তল্লাশি চালানো হয়। আটক আশরাফুল ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মাদক কেনাবেচার খবর পেয়ে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. রাসেল আলীর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সুবর্ণখোলা গ্রামে যায়। দলটির সদস্যরা দ্রুত আশরাফুলের বসতবাড়ি চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেন। পরবর্তীতে তার দেহ তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. রাসেল আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আশরাফুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি একজন তালিকাভুক্ত পেশাদার মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এলাকার তরুণদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাংশা মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
“মফস্বল শহর ও প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় ইয়াবার মতো ভয়ংকর মাদকের বিস্তার এখন সাধারণ মানুষের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও জামিনে বের হয়ে কারবার চালিয়ে যাওয়ার এই প্রবণতা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। শুধুমাত্র মাঠপর্যায়ের বাহক বা খুচরা বিক্রেতা নয়, মূল সরবরাহকারী সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে এ সংকট দূর করা সম্ভব হবে না।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



