মিরপুরে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণের অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর মিরপুরে ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণের অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা তানভীর জোমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- মিরপুর থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি তানভীর জোমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় তিনি গলায় একটি দোকানের পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
- ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ তাকে শনাক্ত করে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর মিরপুরে ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণের অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তানভীর জোমাদ্দার নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করে। তানভীর পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড়ের মধ্যে গলায় পরিচয়পত্র ঝুলানো তানভীরকে প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার জানান, তানভীরের গলায় থাকা পরিচয়পত্রটি আসলে মিরপুরের একটি সাধারণ দোকানের। সেই কার্ড ঝুলিয়ে তিনি কেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবলয়ের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন, তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিষিদ্ধ সংগঠনের এই নেতার উপস্থিতির পেছনে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এছাড়া ভিভিআইপি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঘাটতি ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
“সরকারপ্রধানের সার্বজনীন উপস্থিতির সময়ে ভিআইপি নিরাপত্তাবেষ্টনীতে অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মারাত্মক দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যদের এমন সংবেদনশীল স্থানে উপস্থিতি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাকে স্পষ্ট করে তোলে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



