দক্ষিণ আফ্রিকাকে জি২০ সম্মেলনে ডাকার অনুরোধ করলেন জার্মান চ্যান্সেলর
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে বসতে যাওয়া জি২০ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমন্ত্রণ জানাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ। বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে হলে আফ্রিকাকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে জোর দেন তিনি।
- দক্ষিণ আফ্রিকাকে জি২০ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানাতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ।
- হোয়াইট হাউস আগে ঘোষণা দিয়েছিল যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে এবারের মিয়ামি সম্মেলনে ডাকা হবে না।
- বিশ্ব অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আফ্রিকান ইউনিয়ন ও দক্ষিণ আফ্রিকার উপস্থিতি জরুরি বলে মনে করছে বার্লিন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে অনুষ্ঠেয় আসন্ন জি২০ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমন্ত্রণ জানাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ। বার্লিনে আয়োজিত এক বৈশ্বিক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা এই জোটের পূর্ণ সদস্য এবং বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাদেরকে বাদ দিয়ে কোনো ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আসন্ন মিয়ামি সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কোনো আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে না। দক্ষিণ আফ্রিকায় জমি নীতি ও শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের ওপর কথিত নিপীড়নের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই বিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র এর আগের সম্মেলনও বর্জন করেছিল এবং এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে জোটের শীর্ষ সম্মেলন থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
জার্মান চ্যান্সেলর মার্জ স্পষ্ট জানান, বিশ্বমঞ্চে যেকোনো বড় অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের জন্য আফ্রিকান ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার উপস্থিতি অপরিহার্য। তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম বাজার হিসেবে ইউরোপের উচিত সব পক্ষকে একসঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। একই সঙ্গে স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও পোল্যান্ডকে অতিথি হিসেবে ডেকে আনার জন্য তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে আফ্রিকা মহাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেন।
এবারের সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাশ্রয়ী জ্বালানি এবং বৈশ্বিক ঋণ সংকট নিয়ে আলোচনার পরিকল্পনা করেছে জার্মানি। কূটনীতিবিদরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি একতরফাভাবে জি২০-এর কোনো পূর্ণ সদস্য দেশকে বাদ দেয়, তবে তা বহুপাক্ষিক জোটগুলোর ভবিষ্যৎ ঐক্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। জার্মানি এখন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আলোচনা জারি রেখে সবাইকে এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
“আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে জি২০ জোটের আসল শক্তি হলো এর অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র। ওয়াশিংটনের কোনো একক মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে একটি সদস্য দেশকে বাইরে রাখা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। জার্মান চ্যান্সেলরের এই অবস্থান দেখায় যে ইউরোপ এখনো আন্তর্জাতিক সমঝোতা বজায় রাখতে সচেষ্ট।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



