Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে আলোচনায় আমিরাতের লানা নুসাইবেহ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে আলোচনায় আমিরাতের লানা নুসাইবেহ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক লানা নুসাইবেহর নাম আলোচনায় এসেছে। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ ২০২৬ সালের শেষে শেষ হতে যাচ্ছে। এদিকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় নতুন মহাসচিব বাছাই প্রক্রিয়া বেশ জটিল হয়ে উঠেছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ ২০২৬ সালের শেষ দিকে শেষ হতে যাচ্ছে।
  • আমিরাতের কূটনীতিক লানা নুসাইবেহর সমর্থকরা বিশ্বনেতাদের সমর্থন আদায়ে কাজ শুরু করেছেন।
  • কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান ও আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসিও এই দৌড়ে আছেন।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের দৌড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক লানা নুসাইবেহর নাম সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ ২০২৬ সালের শেষ দিকে শেষ হতে যাচ্ছে। ফলে পরবর্তী শীর্ষ পদের জন্য এখন থেকেই শক্তিশালী প্রার্থীদের নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা ও তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

লানা নুসাইবেহ বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জাতিসংঘে নিজ দেশের স্থায়ী রাষ্ট্রদূত ছিলেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, লানা নুসাইবেহর সমর্থকরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ করছেন এবং তার প্রার্থিতার পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছেন।

তবে নতুন মহাসচিব বাছাইয়ের পথটি বেশ জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। মহাসচিব পদের অন্য শীর্ষ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতিসংঘের বাণিজ্য সংস্থার প্রধান রেবেকা গ্রিনস্প্যান এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি। তবে নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটে ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন দেশগুলোর বিরোধিতার কারণে তাদের পথও মসৃণ নয়। অন্যদিকে, সুদান সংঘাত ঘিরে আমিরাতের বিতর্কিত ভূমিকা ও সৌদি আরবের সঙ্গে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা নুসাইবেহর ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

এবার লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের কাউকে মহাসচিব করার পাশাপাশি প্রথমবার একজন নারীকে এই পদে আনার জোরালো দাবি রয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, কোনো বিশেষ অঞ্চল বা লিঙ্গের চেয়ে প্রার্থীর নেতৃত্ব ও যোগ্যতাই প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত। বিশ্বজুড়ে সংঘাত, বাজেট সংকট এবং সংস্কারের বিশাল চ্যালেঞ্জের মধ্যেই নতুন মহাসচিবকে দায়িত্ব নিতে হবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“লানা নুসাইবেহর নাম সামনে আসায় জাতিসংঘের শীর্ষ পদে আরব বিশ্বের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হলো। তবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ভেটো ক্ষমতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক জটিল সমীকরণই শেষ পর্যন্ত মহাসচিব নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম