লক্ষ্মীপুরে বাস থেকে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর, ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী বাস থেকে রামগতি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিনকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে লক্ষ্মীপুরের ঝুমুর মোড়ে বাস থামিয়ে যুবলীগ নেতা মেজবাহ উদ্দিনকে তুলে নেওয়া হয়।
- তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডিবি পুলিশ বালিকা বিদ্যানিকেতন মাঠ থেকে আহত নেতাকে উদ্ধার করে এবং ছাত্রদল নেতা জামালকে আটক করে।
- ভুক্তভোগী যুবলীগ নেতা সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন, যাতে অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
লক্ষ্মীপুর শহরে চলন্ত বাস থামিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে নামিয়ে নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী নেতার নাম মেজবাহ উদ্দিন ওরফে হেলাল, যিনি রামগতি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং স্থানীয় আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে তিনি এ হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেজবাহ উদ্দিন ইকোনো পরিবহনের একটি বাসে করে লক্ষ্মীপুরে ফিরছিলেন। বাসটি শহরের ঝুমুর মোড় এলাকায় পৌঁছালে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল গাড়ি থামিয়ে তাঁকে জোরপূর্বক নামিয়ে নেয়। পরে তাঁকে উত্তর তেমুহনী এলাকার লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতনের মাঠে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। ঘটনাটি দ্রুত জানাজানি হলে পুলিশ অভিযানে নামে।
খবর পাওয়ার পরপরই জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে অভিযানে নামে। রাত সোয়া বারোটার দিকে স্কুল মাঠ থেকে আহত মেজবাহ উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়। সে সময় ঘটনাস্থল থেকেই জামাল হোসেনকে আটক করা সম্ভব হলেও বাকি অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে মেজবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার জামাল হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহেদ পারভেজ জানান, গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
“চলন্ত বাস থেকে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে তুলে নিয়ে মারধরের এ ঘটনা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় সতর্কবার্তা। ক্ষমতার রদবদলের পর প্রতিশোধমূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ সমাজে দীর্ঘমেয়াদে সহিংসতা বাড়ায়। তবে ঘটনার দ্রুততায় পুলিশ যেভাবে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং মূল সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে, তা পেশাদারিত্বের প্রমাণ দেয়। এখন তদন্তকে প্রভাবমুক্ত রেখে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



