জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থানে নিতে ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আইসিটি রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে সংগঠনটি।
- প্রকৌশলী রাফায়েল কবিরকে সভাপতি এবং প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
- অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে প্রধান উপদেষ্টা করে আট সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের আইসিটি রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার বড় লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ)। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন নেতৃত্বের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে প্রকৌশলী রাফায়েল কবির সভাপতি এবং প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্ত অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের নিয়েই এই পূর্ণাঙ্গ কাঠামো সাজানো হয়েছে।
নতুন কমিটির পাশাপাশি আট সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদও গঠন করা হয়েছে। এই পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। উপদেষ্টাদের তালিকায় আরও রয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মারুফ মল্লিক এবং সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
ফোরামের উপদেষ্টা ড. মারুফ মল্লিক জানান, প্রযুক্তি খাতকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে বৈশ্বিক অঙ্গনে কাজের সুযোগ বাড়ানোই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বড় পরিসরে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ টানার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন অর রশিদ বলেন, রপ্তানি আয় বাড়াতে হলে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গবেষণা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিশ্ববাজারের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে দক্ষ তরুণ প্রজন্ম তৈরি করতে পারলেই দেশের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শক্ত অবস্থান নিতে পারবে। নতুন এই কমিটি দ্রুত নিজেদের অগ্রাধিকার ঠিক করে সাংগঠনিক কাজ এগিয়ে নেবে বলে জানানো হয়েছে।
“বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনা জরুরি। ১০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক হলেও তা বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং এবং নীতিগত সংস্কার নিশ্চিত করা এখন মূল চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
