৩১ অক্টোবরের লং মার্চ সফল করতে জামায়াতের বড় প্রস্তুতি সভা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে আগামী ৩১ অক্টোবরের লং মার্চ সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রাজধানীতে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে গাড়িবহর ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও একাধিক জেলার পথসভা সফল করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন দলটির শীর্ষ নেতারা।
- ৩১ অক্টোবর সকালে ঢাকার বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হবে লং মার্চ।
- পদ্মা সেতু পার হয়ে প্রায় ১ হাজার গাড়ির বহর নিয়ে ৮টি জেলা প্রদক্ষিণ করবে দলটি।
- শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহে পথসভা শেষে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে হবে মূল সমাবেশ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়া অভিমুখে পূর্বঘোষিত লং মার্চ সফল করার লক্ষ্যে বিস্তারিত প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। কর্মসূচির রুট নির্ধারণ, গাড়িবহরের শৃঙ্খলা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করাই ছিল এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
কর্মসূচির বিস্তারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু হবে। এতে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় প্রায় ১ হাজার গাড়ির বিশাল বহর মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। এই কাফেলায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সংবাদকর্মী, চিকিৎসক, শিল্পী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
লং মার্চের দীর্ঘ এই পথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরায় প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বেলা ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটে, দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা শহরের বাবরি চত্বরে এবং দুপুর ২টায় ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা হবে। বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড় এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা শেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে চূড়ান্ত সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে।
সভায় বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানান সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৈঠকে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ আইটি, প্রচার ও শৃঙ্খলা বিভাগের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। নেতাদের প্রত্যাশা, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দলীয় শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।
“দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অভিমুখে এই দীর্ঘ লং মার্চের মধ্য দিয়ে জামায়াত মূলত মাঠপর্যায়ে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি যাচাই ও প্রদর্শন করতে চাইছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে কুষ্টিয়া পর্যন্ত ৮টি জেলা অতিক্রম করার এই পরিকল্পনা তৃণমূল কর্মীদের উজ্জীবিত করার একটি কৌশলগত রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



