Read in English
পাঠক সুবিধা:
অর্থনীতি ও বাণিজ্যচট্টগ্রামঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন উন্নত মানের গম চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানায়, মোট ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির অংশ হিসেবে এই চালানটি দেশে এসেছে, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারে বড় ভূমিকা রাখবে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গম।
  • বাংলাদেশ মোট ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন পুষ্টিকর গম আমদানির চুক্তি করেছিল।
  • এই আমদানি দেশের খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে সাহায্য করবে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ ও মজুত বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গম চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। বুধবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে যে আমদানিকৃত এই বিশাল চালানের গম খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকারিভাবে আনা এই শস্যের ফলে বাজারে গমের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ গম কেনার উদ্যোগ নেয়। সেই চুক্তির বড় একটি অংশ হিসেবেই এই ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম দেশে এসে পৌঁছাল। বাকি গমও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, উচ্চমানের এই গম বাংলাদেশের জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে সরাসরি সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এই ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রা দেবে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

অর্থনীতিবিদ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সময়মতো খাদ্যশস্য দেশে আসায় অভ্যন্তরীণ বাজারে আটা-ময়দার দাম স্থিতিশীল থাকবে। এছাড়া সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে পর্যাপ্ত মজুত গড়ে ওঠার ফলে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সংকট মোকাবিলা করা সরকারের জন্য অনেক সহজ হবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“বিশ্ববাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রধান খাদ্যশস্যের নিয়মিত আমদানি স্থানীয় সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশ থেকে গম সংগ্রহ খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলকে যেমন সুরক্ষিত করে, তেমনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কেও ইতিবাচক গতি সঞ্চার করে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম