Read in English
পাঠক সুবিধা:
অর্থনীতি ও বাণিজ্যচট্টগ্রাম

দেশের ইপিজেডে বিনিয়োগে শীর্ষে চীন, তালিকায় ওপরের দিকে বাংলাদেশও

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
দেশের ইপিজেডে বিনিয়োগে শীর্ষে চীন, তালিকায় ওপরের দিকে বাংলাদেশও
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) তথ্যমতে, দেশের ইপিজেডগুলোতে বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে চীন। গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনের বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ ডলারে। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। এছাড়া শীর্ষ পাঁচে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • দেশের ৮টি ইপিজেড ও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে মোট ৩৮টি দেশের ৭৪২ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ রয়েছে।
  • একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করে তালিকার শীর্ষে রয়েছে চীন।
  • বিনিয়োগে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা, আর তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

দেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোতে (ইপিজেড) বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ব্যবধানে শীর্ষে রয়েছে চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে চীন এখন পর্যন্ত ১৭৮ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই হিসেবের মধ্যে তাইওয়ান ও হংকংয়ের উদ্যোক্তাদের মূলধনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চমকপ্রদ বিষয় হলো, বিদেশি আধিক্যের এই অঞ্চলে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানটি ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।

১৯৮০ সালে বাংলাদেশে ইপিজেড চালুর প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ইপিজেড গড়ে ওঠে। উদ্দেশ্য ছিল শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল এনে পণ্য তৈরি করে শতভাগ রপ্তানি করা। বর্তমানে দেশে ৮টি চালু ইপিজেড ছাড়াও দুটি বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল বেপজার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, এসব অঞ্চলে ৩৮টি দেশের মোট ৭৪২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়েছে।

তালিকায় থাকা শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে চীন ও বাংলাদেশের পর অবস্থান করছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ প্রায় ১২০ কোটি ডলার এবং জাপানের প্রায় সাড়ে ৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪২ কোটি, যুক্তরাজ্য ৩০ কোটি এবং ভারত ও শ্রীলঙ্কা প্রত্যেকে প্রায় ২৬ কোটি ডলারের মতো বিনিয়োগ করেছে। কানাডা ও নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ নিয়ে এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশে তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি হালকা প্রকৌশল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে এই বিদেশি বিনিয়োগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অবকাঠামো সুবিধা, বন্ড সুবিধা এবং দক্ষ শ্রমিকের সহজলভ্যতাই বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে টেনে আনছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস-বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরও সহজ করা গেলে ভবিষ্যতে এই বিনিয়োগের প্রবাহ আরও কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“ইপিজেডে চীনা বিনিয়োগের ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের প্রতিফলন। তবে একক দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা না বাড়িয়ে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর উচ্চপ্রযুক্তির বিনিয়োগ বাড়ানোই হবে দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক কৌশল।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম