Read in English
পাঠক সুবিধা:
অর্থনীতি ও বাণিজ্যবাগেরহাট

চীনের বড় ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে শাখা খোলার আহ্বান

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
চীনের বড় ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে শাখা খোলার আহ্বান
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডে’ সম্মেলনে চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে তাদের শাখা বা সরাসরি কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। দুই দেশের মধ্যে ১৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এখনও কোনো চীনা ব্যাংক সরাসরি কাজ করছে না, যা দ্রুত চালুর দাবি জানানো হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • বেইজিংয়ে এক্সিম ব্যাংক সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ ডে’ সম্মেলন।
  • বিশ্বের শীর্ষ তিনটি ব্যাংকসহ চীনের ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়।
  • দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালেও বাংলাদেশে এখনো চীনা ব্যাংকের শাখা নেই।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

চীনের শীর্ষ ও বড় ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে সরাসরি শাখা খুলে কার্যক্রম শুরু করার জোর আহ্বান জানিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার সদর দপ্তরে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডে’ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তিনটি ব্যাংক—ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না ও ব্যাংক অব চায়নাসহ মোট ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ২৬টি চীনা কোম্পানির প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশের যৌথ উপস্থাপনায় জানানো হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব এত বড় হলেও বাংলাদেশে এখনো কোনো চীনা ব্যাংক তাদের শাখা চালু করেনি। অথচ চীনের সঙ্গে কম বাণিজ্য থাকা সত্ত্বেও কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে চীনা ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। ফলে বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সহজ করতে ব্যাংকিং সুবিধা চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের পরবর্তী বড় ধাপ হলো আর্থিক সংযোগ তৈরি করা। বাংলাদেশে কাজ করা চীনা কোম্পানিগুলোর যন্ত্রপাতি কেনা, চলতি মূলধন ও বড় বিনিয়োগের জন্য সহজ অর্থায়ন প্রয়োজন। এ সময় চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং জানান, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে তাদের প্রায় ৪০টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। তারা আগামীতে বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবার মতো খাতে চীনা কোম্পানিগুলোকে আরও বেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করবেন।

অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মোংলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বহু চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ করতে আগ্রহী। সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেল তৈরি হলে চীনা মুদ্রা ও ডলারে লেনদেন অনেক দ্রুত এবং সহজ হবে। চীনা ব্যাংকগুলো বাংলাদেশে এলে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ যেমন বাড়বে, তেমনি দুই দেশের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পর্কের মধ্যেও বড় ধরনের অগ্রগতি তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের বিশাল পরিধি সত্ত্বেও সরাসরি চীনা ব্যাংকিং সেবার অনুপস্থিতি বিনিয়োগের জন্য বড় বাধা। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য অর্থায়ন অনেক সহজ হবে এবং শিল্পায়ন গতি পাবে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম