Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে ট্রাম্পের

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে ট্রাম্পের
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়, বিতর্কিত অভিবাসন নীতি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো সংকটগুলো ভোটারদের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নির্বাচনের ফলেই নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে ট্রাম্পের জনসমর্থন কমে ৩১ শতাংশে নেমে এসেছে।
  • কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের অতিরিক্ত চারটি করে আসনে জয় দরকার।
  • স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি ও খাদ্যের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবারের নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বড় এক বাঁকবদলের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন স্মরণকালের তলানিতে পৌঁছেছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি এবং বিতর্কিত অভিবাসন নীতি ভোটারদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। আগামী ৩ নভেম্বরের এই নির্বাচনে কেবল স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, বরং কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ শেষ পর্যন্ত রিপাবলিকান নাকি ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাবে, তা নিশ্চিত হবে।

বর্তমানে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের সামান্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের পক্ষে নিতে ডেমোক্র্যাটদের প্রতিটি কক্ষে কেবল চারটি করে আসন বাড়াতে হবে। সাম্প্রতিক রয়টার্স ও ইপসোসের একটি জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রতি জনসমর্থন কমে মাত্র ৩১ শতাংশে এসে ঠেকেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের মাঠে রিপাবলিকান প্রার্থীদের চেয়ে ট্রাম্প নিজেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন এবং ভোটারদের তাঁর পক্ষে ভোট দেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন।

সাধারণ ভোটারদের কাছে এবারের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের নাম নিত্যপণ্যের বাড়তি দাম এবং জীবনযাপনের সংকট। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক মানুষ জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার খরচই তাদের প্রধান বিবেচ্য। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, গ্যাস-বিদ্যুতের বিল, খাদ্য এবং বাসস্থানের ভাড়ার চাপ সাধারণ পরিবারগুলোকে বিপাকে ফেলেছে। রিপাবলিকানরা করছাড়ের সুবিধা বহাল রাখলেও নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প 'মেডিকেইড'-এর বাজেট ব্যাপকভাবে ছাঁটাই করায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম নিয়েছে।

নির্বাচনী বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের আগ্রাসী প্রচার কৌশল নিজের সমর্থকদের উজ্জীবিত করতে পারলেও বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে তারা জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে আনবেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করবেন। মূলত তুলনামূলক কম ব্যবধানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর ফলাফলের ওপরই নির্ভর করবে ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময় দেশ কীভাবে পরিচালিত হবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“যুক্তরাষ্ট্রের এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ওপর একটি গণভোটের মতো রূপ নিয়েছে। অর্থনৈতিক টানাপোড়েন এবং জীবনযাত্রার সংকট যখন ভোটারদের প্রধান মাথাব্যথা, তখন ট্রাম্পের ব্যক্তিগত উপস্থিতি রিপাবলিকানদের জন্য ইতিবাচক ফলের চেয়ে রাজনৈতিক ঝুঁকিই বেশি তৈরি করতে পারে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম