দিল্লিতে সাত দিন আটক থাকার পর মুক্তি পেলেন দুই নেতা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া ঢোকার অভিযোগে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে সাত দিন পর মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। জামিনের শর্ত পূরণ করায় তাঁদের এই মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়।
- ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালে আটক হন সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।
- দিল্লি পুলিশ হেফাজতে রাখার মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানোর আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেয়।
- জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর সৌরভ দাস একে সত্যের জয় হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে প্রবেশের দায়ে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) রিতু রাজ এই আদেশ দেন। মুক্তি পাওয়া দুই নেতা হলেন দলটির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। জামিনের প্রয়োজনীয় নথিপত্র গ্রহণের পর তাঁদের মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ১৩ অক্টোবর। ভারতে চলমান ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমের (এসআইআর) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে যন্তর মন্তরে পৌঁছান দলটির নেতাকর্মীরা। সেখানে নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে ভেতরে ঢোকার অভিযোগ এনে দিল্লি পুলিশ তাঁদের আটক করে। এরপর তাঁদের পাঁচ দিনের হেফাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে গত সোমবার তাঁদের আটকের মেয়াদ বাড়িয়ে আরও দুই দিন করা হয়েছিল।
বুধবার শুনানির সময় দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে দুই নেতার বিচারিক হেফাজতের মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানোর জন্য জোরালো আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে আইনি সংবাদমাধ্যম বার অ্যান্ড বেঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালত পুলিশের সেই দাবি নাকচ করে দেয়। জামিনদারদের নিশ্চয়তা পর্যালোচনা শেষে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেয়। আদেশের পর সৌরভ দাস সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হয়েছে।
যন্তর মন্তরে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নাগরিক আন্দোলনের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত নজরদারি এবং কড়াকড়ির বিষয়টি নিয়ে ভারতে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ জানানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়ার এমন ঘটনা মানবাধিকারকর্মীদের নজরে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই নেতার এই আইনি মুক্তি ভোটাধিকার বিষয়ক আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে মনোবল জোগাবে।
“গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার একটি মৌলিক বিষয়। যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে রাজনৈতিক নেতাদের টানা সাত দিন আটকে রাখা এবং পরবর্তীতে পুলিশের আরও হেফাজত চাওয়ার পদক্ষেপ প্রশাসনিক অতি-নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিত দেয়। আদালতের এই সিদ্ধান্ত নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকারের সুরক্ষায় একটি ইতিবাচক বার্তা দেয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



