কী খবর মাসুদ, ভালো?—চট্টগ্রামের এসপিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রংপুর ও রাজশাহী সফরের পর চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে সরকারের শীর্ষ মন্ত্রী, স্থানীয় মেয়র এবং জামায়াতের সংসদ সদস্য অভ্যর্থনা জানান। সেখানে চট্টগ্রামের এসপি মাসুদ আলমের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান।
- রংপুর ও রাজশাহী সফর শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- বিমানবন্দরে অভ্যর্থনার সময় চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলমের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে তিনি সরাসরি ঐতিহ্যবাহী জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের বিভিন্ন জেলা সফরের ধারাবাহিকতায় এবার চট্টগ্রামে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রংপুর ও রাজশাহী পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি একটি সামরিক বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানে নেমে তিনি সেখানে উপস্থিত সবার সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করেন। এরপরই প্রধানমন্ত্রী সার্বিক নিরাপত্তা ও পূজা উদযাপনের পরিবেশ দেখতে সরাসরি শহরের ঐতিহাসিক জে এম সেন হল পূজামণ্ডপের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মন্ত্রিসভার শীর্ষ সদস্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন সেখানে উপস্থিত থেকে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রধান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যরাও সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
অভ্যর্থনা সারিতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতি সবার বিশেষ নজর কাড়ে। তাঁর সঙ্গে হাত মেলানোর সময় সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক স্বাগত জানান। ঠিক এর পরপরই সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলমের সামনে থামেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সরাসরি এসপির উদ্দেশে বলেন, ‘কী খবর মাসুদ, ভালো?’ আকস্মিক এই কুশল বিনিময়ে পুলিশ সুপারও অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে ‘স্যার, স্যার’ বলে জবাব দেন।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত শেষ করে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর জে এম সেন হলের দিকে এগিয়ে যায়। শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে সারা দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে বার্তা সরকার দিচ্ছে, এই সফর তারই অংশ। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে তিনি পূজার খোঁজখবর নেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালনের আশ্বাস দেন।
“রাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাহীর তৃণমূল বা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি নাম ধরে কুশল বিনিময় মাঠ প্রশাসনের মনোবল বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিরোধী ধারার জনপ্রতিনিধিদের একই অভ্যর্থনা সারিতে উপস্থিতি রাজনৈতিক সহনশীলতার ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



