Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানো এখন অসম্ভব: সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানো এখন অসম্ভব: সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ইউরোপজুড়ে দেশগুলোর দ্রুত অস্ত্র কেনা ও সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রবণতা দেখে বিশ্ব বড় ধরনের যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুসিচ। রুশ সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • ইউরোপের দেশগুলোতে দ্রুত প্রতিরক্ষা বাজেট ও সমরাস্ত্র বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সার্বিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান।
  • অস্ত্রের ব্যাপক চাহিদার কারণে জার্মানির অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রাইনমেটালের মুনাফা ১৭ গুণ বেড়েছে বলে উদাহরণ টানেন তিনি।
  • স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশসহ পুরো ইউরোপের অস্বাভাবিক সামরিক প্রস্তুতি বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য বড় হুমকি বলে মনে করেন ভুসিচ।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

বিশ্বজুড়ে চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নতুন করে এক বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুসিচ। তার মতে, যেভাবে বিশ্বশক্তিগুলো নিজেদের অস্ত্রসজ্জিত করছে, তাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। রুশ সাংবাদিক কসেনিয়া সোবচাকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইউরোপের দেশগুলোর সামরিক বাজেট ও অস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতা বিশ্বকে এক ধ্বংসাত্মক পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সাক্ষাৎকারে ইউরোপের দেশগুলোর অস্ত্র কেনার হিড়িকের পেছনে বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক কারণ তুলে ধরেন ভুসিচ। তিনি জার্মানির শীর্ষ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রাইনমেটালের উদাহরণ টেনে জানান, বিশ্বজুড়ে অস্ত্রের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই কোম্পানির মুনাফা প্রায় ১৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোসহ ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্র যেভাবে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে, তা স্বাভাবিক কোনো শান্তির লক্ষণ নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভুসিচ কড়া ভাষায় বলেন, যারা ইউরোপের এই বিপুল সামরিক প্রস্তুতি দেখেও না দেখার ভান করছেন, তারা আসলে ইচ্ছে করেই চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। দেশগুলো কেন এমন উন্মাদনার মতো অস্ত্র সংগ্রহ করছে—সেই প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, বর্তমান বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সংঘাতের কারণে যেকোনো সময় বড় আকারের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে পরাশক্তিগুলোর পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সামরিক মহড়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সার্বিয়ার সাবেক নেতার এমন খোলামেলা মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পরাশক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তা নীতিকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছোট-বড় সব দেশই আত্মরক্ষার নামে অস্ত্রভাণ্ডার ভারী করছে, যার ফলে শান্তির চেয়ে সংঘাতের ঝুঁকিই দিন দিন বেড়ে চলেছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য কেবল সামরিক আশঙ্কাই প্রকাশ করে না, বরং বৈশ্বিক অস্ত্র বাণিজ্যের আগ্রাসী মনোভাবকেও সামনে আনে। ইউরোপজুড়ে দেশগুলো যখন অভ্যন্তরীণ কল্যাণমূলক বাজেট কমিয়ে সামরিক খাতে অর্থ ঢালছে, তখন অস্ত্র কারখানাগুলোর মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি সামগ্রিক শান্তি প্রচেষ্টাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম