জাতিসংঘের প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে অবস্থান জানাল বাংলাদেশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বর্তমান বিশ্বের নানা সংকট ও জটিলতা মোকাবিলায় জাতিসংঘকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর দেখতে চায় বাংলাদেশ। জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদসহ জরুরি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্থবহ সংস্কারের ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় ভূমিকা প্রত্যাশা করে ঢাকা।
- বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার চায় বাংলাদেশ।
- শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান এবং নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ঢাকার দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
- ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সমর্থন কামনা করেছে সরকার।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন সংকট, যুদ্ধ ও টানাপোড়েন সামাল দিতে জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বিশ্বাস করে এবং জাতিসংঘকে আরও বেশি কার্যকর, স্বচ্ছ ও সব দেশের প্রতিনিধিত্বশীল দেখতে চায়। সমসাময়িক বাস্তবতার আলোকে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এখন সময়ের দাবি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, আইনের শাসন ধরে রাখা এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সক্রিয় উপস্থিতির বড় প্রমাণ। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সংঘাত ও বৈষম্যের এই সময়ে বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশের ভূমিকার কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে প্রতিকূল পরিবেশে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা। এছাড়া দারিদ্র্য দূর করা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও নারীর ক্ষমতায়নে জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে বলে তিনি জানান।
বার্তায় মিয়ানমার থেকে আসা ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার মানবিক সংকটের বিষয়টিও সামনে আনেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এত বিপুল জনগোষ্ঠীর আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, তাই তাদের দ্রুত ও নিরাপদে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর সক্রিয় সহায়তা দরকার। একই সঙ্গে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও প্রযুক্তি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
“জাতিসংঘের সংস্কার চেয়ে বাংলাদেশের এই বার্তা মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন। বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি সক্রিয় ও নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



