বিএনপি আট মাসেই সবকিছু গোলমাল করে ফেলেছে: গোলাম পরওয়ার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকার আট মাসের মধ্যেই সরকার চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং দলটির নেতাকর্মীরা লুটপাট ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন।
- ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের উপনির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
- বিএনপির সময়ে উন্নয়ন কাজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন তিনি।
- সারের ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ ও কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের কড়া সমালোচনা করেন জামায়াত নেতা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বিএনপি সরকারের দেশ পরিচালনার কঠোর সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র আট মাসের মধ্যেই দলটি সবকিছু এলোমেলো করে ফেলেছে। শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে এই বড় সমাবেশের আয়োজন করে স্থানীয় জামায়াত। সেখানে পরওয়ার দাবি করেন, স্বল্প সময়ের মধ্যেই সরকারের চারজন মন্ত্রী-এমপি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন, যা তাদের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলাকে স্পষ্ট করে তুলেছে।
সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে জামায়াত নেতা অভিযোগ করেন, সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পরিবারকে ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সারা দেশে উন্নয়ন কাজের নামে লুটপাটের হাট বসানো হয়েছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সব ধরনের চাঁদাবাজিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। তিনি আরও দাবি করেন, এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর এলাকার সীমান্ত দিয়েই দেশে মাদক ঢুকছে, অথচ আইনপ্রণেতারা লোকদেখানো অভিযান চালিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।
কৃষি খাত ও সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, সারের ডিলার নিয়োগে সীমাহীন অনিয়ম হয়েছে। আত্মীয়স্বজন ও দলীয় লোকদের সুবিধা দিতে একেকটি লাইসেন্স দেওয়ার পেছনে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। কৃষক যখন সারের অভাবে হাহাকার করছে, তখন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দাম দফায় দফায় বাড়িয়ে জনগণের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তোলা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আসন্ন উপনির্বাচনে ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, পুরোনো ধারার নেতৃত্ব বেছে নিলে এলাকার কোনো প্রকৃত উন্নয়ন হবে না; বরাদ্দের অর্থ চলে যাবে স্বার্থান্বেষী মহলের পকেটে। দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। এই রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের নির্বাচনী রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকেরা।
“ঠাকুরগাঁওয়ের এই জনসভায় জামায়াত নেতার বক্তব্য স্পষ্ট করে যে মাঠপর্যায়ের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে দূরত্ব ও বাগযুদ্ধ চরম আকার ধারণ করেছে। দুর্নীতি, দলীয়করণ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ইস্যুগুলোকে সরাসরি সামনে এনে জামায়াত সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা চালাচ্ছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



