দুই সেনা নিহত হওয়ার পর হেবরনে ইসরায়েলের বড় অভিযান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে সামরিক চৌকিতে ফিলিস্তিনিদের হামলায় দুই সেনা নিহত হওয়ার পর ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। অভিযানের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজনদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
- হেবরনের সামরিক চৌকিতে বন্দুকধারীদের হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন।
- হামলাকারীদের বাড়িঘর চিহ্নিত করে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে নির্বিচার ‘যৌথ শাস্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের প্রবেশপথে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর এক বন্দুক হামলায় দুই সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পরপরই পুরো হেবরন শহর ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর অবরোধ ও ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত ও সীমান্ত পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের চলাচলে চরম কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, মোহাম্মদ জাবা ও ফিরাস জাবা নামের দুই ফিলিস্তিনি যুবক ওই তল্লাশি চৌকিতে গুলি চালিয়েছিলেন। দুজনেরই বয়স ২৭ বছর এবং তারা সম্পর্কে একই পরিবারের সদস্য। হামলার পর ইসরায়েলি বাহিনী তাদের শনাক্ত করে এবং তাদের বসতবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার ও সশস্ত্র নেটওয়ার্ক ধ্বংস করার অজুহাতে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলাকারীদের বসবাসের পুরো এলাকা ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যদিকে এই অভিযান ও বসতবাড়ি ধ্বংসের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তারা একে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর অন্যায় 'যৌথ শাস্তি' হিসেবে অভিহিত করেছে। মানবাধিকার সংস্থা বি'তসেলেমও নির্বিচারে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ ও বাড়িঘর ভাঙার কঠোর বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পশ্চিম তীরজুড়ে চরম উত্তেজনা ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে, গত কয়েক মাসে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এক হাজার ১০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। হেবরনের এই নতুন অভিযান মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অধিকৃত পশ্চিম তীরকে আরও বিপজ্জনক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
“কোনো হামলার প্রতিক্রিয়ায় হামলাকারীদের পরিবারের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের নীতি, যা আন্তর্জাতিক আইনে ‘যৌথ শাস্তি’ হিসেবে নিষিদ্ধ। হেবরনে এই ব্যাপক অভিযান পশ্চিম তীরের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও উসকে দেবে এবং সংঘাত নিরসনের বদলে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



