রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে ফেরাতে জাতিসংঘের বড় ভূমিকা চায় বাংলাদেশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের দ্রুত ও নিরাপদে নিজেদের ভিটেমাটিতে ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় জাতিসংঘ দিবসের এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, সংকট সমাধানে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব বাড়ানো জরুরি। একই সাথে দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে আন্তর্জাতিক সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
- রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের আরও জোরদার ও কার্যকর উদ্যোগ চেয়েছে সরকার।
- বৈশ্বিক নানা সংকট কাটাতে বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক আলোচনা ও ঐকমত্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে আন্তর্জাতিক আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে দ্রুত, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের আরও সক্রিয় ভূমিকা চেয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত জাতিসংঘ দিবস উদযাপনের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান বিশ্বের কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ন্যায়ভিত্তিক পৃথিবী গড়তে শক্তিশালী বৈশ্বিক ঐক্য ও জাতিসংঘের কার্যকর পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল দিকগুলো তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, শান্তি রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ শুরু থেকেই জাতিসংঘের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ব শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারী ও পুরুষ সদস্যদের অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি চলমান সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের ইতিবাচক অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যৌথ বোঝাপড়া বাড়ানোর চেষ্টার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন।
দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার বিষয়টি উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ টানা কাজ করে যাচ্ছে। তবে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে পুরোপুরি বের হয়ে টেকসই ভিত্তি পেতে হলে উন্নত বিশ্বের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং অবাধ বাজার সুবিধা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলোর অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
একই সঙ্গে সমাজের সব স্তরে নারীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমাজে ও কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি বন্ধ করা সবার আগে প্রয়োজন। 'ঢাকা সংলাপ'-এর মতো উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে নারীদের নেতৃত্বের পথ আরও সুগম হবে বলে তিনি আশাবাদ জানান।
“রোহিঙ্গা সংকটের সাত বছরের বেশি সময় পার হলেও প্রত্যাবাসনে কার্যকর অগ্রগতি না হওয়া বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক তহবিল হ্রাস পাওয়ার মুখে জাতিসংঘের মাধ্যমে কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোই এখন ঢাকার প্রধান কৌশল। পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় ওঠার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও সরকারের বড় অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



