নিকুঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে মোফা বাবু আবার গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এলাকায় চাঁদাবাজি, মারধর ও মাদক কারবারের অভিযোগে মো. ইসমাইল হোসেন বাবু ওরফে মোফা বাবুকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত দুই বছরে তিনি অন্তত সাতবার গ্রেপ্তার হলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামিনে বের হয়েই তিনি বারবার একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
- খিলক্ষেত থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে নিকুঞ্জ এলাকা থেকে মোফা বাবুকে গ্রেপ্তার করে নতুন মামলা দেয়।
- গত দুই বছরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও হামলার অভিযোগে তিনি অন্তত সাতবার গ্রেপ্তার হয়েছেন।
- রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অপরাধ করার অভিযোগ থাকলেও পুলিশ জানিয়েছে অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এলাকায় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, মারধর এবং মাদক কারবারের অভিযোগে মো. ইসমাইল হোসেন বাবু ওরফে মোফা বাবুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। শনিবার তার বিরুদ্ধে বেআইনি সমাবেশ, পথরোধ, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় নতুন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বারবার একই ধরনের অপরাধে জড়ানোয় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই ব্যক্তিকে নিয়ে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল।
পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, মোফা বাবুর গ্রামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় হলেও তিনি খিলক্ষেতের টানপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই বছরে চাঁদাবাজি, দোকান ভাঙচুর ও মাদক ব্যবসার অভিযোগে তিনি অন্তত সাতবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর আগে ইয়াবাসহ গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এবং একাধিকবার যৌথবাহিনীর হাতেও তিনি আটক হয়েছিলেন। তবে প্রতিবারই আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় ফিরে তিনি আবারও পুরোনো অপকর্মে লিপ্ত হন।
স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে মোফা বাবু এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার করতেন। তিনি খিলক্ষেত এলাকার ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের পদধারী নেতা হিসেবে পরিচিত। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, বারবার অপরাধে নাম জড়ালেও তার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মোফা বাবু গ্রেপ্তার হলে এলাকায় সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও জামিনে বের হওয়ার পর তিনি ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন জানিয়েছেন, কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজের একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী এবং আইনের চোখে সবাই সমান। নতুন মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করে আদালতে দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে নিকুঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা এবার কঠোর আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
“বারবার জামিনে বেরিয়ে একই অপরাধে জড়ানো অপরাধীদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নজরদারির দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কোনো অপরাধী রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক ছত্রছায়া ব্যবহার করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ে। এই চক্র ভাঙতে হলে কেবল গ্রেপ্তার নয়, বরং দ্রুত তদন্ত শেষ করে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



