প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের সহকারী পরিচয়ে প্রতারণা, সিংড়ায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের অফিস স্টাফ পরিচয়ে প্রতারণা ও অর্থ দাবির অভিযোগে নাটোরের সিংড়া পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু হুরায়রাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক সাইবার ও প্রতারণার মামলা রয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের সহকারী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ।
- অভিযুক্ত আবু হুরায়রা সিংড়া পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক পদে ছিলেন।
- আসামির বিরুদ্ধে এর আগেও চারটি ফৌজদারি ও একটি দেওয়ানি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নাটোরের সিংড়ায় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় ভাঙিয়ে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার যুবকের নাম আবু হুরায়রা, যিনি সিংড়া পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের অফিস সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সুবিধা দেওয়ার নামে টাকা দাবি করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আতিকুর রহমান রুমনের অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মামলা দায়ের করেন বিএনপি মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ। শুক্রবার রাতে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পরপরই সিংড়ার বালুয়া-বাসুয়া গ্রাম থেকে হুরায়রাকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যায়, হোয়াটসঅ্যাপ ও মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের ভুয়া দাবি করে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক পদে পদায়ন ও অন্যান্য সুবিধার আশ্বাস দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করতেন।
শনিবার দুপুরে নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত যুবক প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পুলিশ আরও জানায়, ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে হুরায়রার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন ধারায় ঢাকা ও পাবনার বিভিন্ন থানায় চারটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এছাড়া বগুড়ার আদালতে তার বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলার নথিপত্রও পাওয়া গেছে।
স্পর্শকাতর এই ঘটনাটির গভীর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)। এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং ডিজিটাল মাধ্যমে কার কার কাছ থেকে এভাবে অর্থ নেওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে চলা সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
“ক্ষমতা ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতারণা সাধারণ মানুষের সরলতাকে জিম্মি করে ফেলে। এই ধরনের অপরাধ কেবল আর্থিক ক্ষতি করে না, বরং প্রশাসনের প্রতি আস্থাও নষ্ট করে। ডিজিটাল ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের যথাযথ প্রয়োগই এ ধরনের প্রবণতা রোধ করতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



