Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

শুল্কের ভয় দেখিয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামাই, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
শুল্কের ভয় দেখিয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামাই, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ২৫০ শতাংশ বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে তিনি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাত থামিয়েছিলেন। তবে এত বড় পদক্ষেপ নেওয়ার পরও তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ফ্লোরিডার এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাণিজ্য শুল্ক বসানোর হুমকি দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সংঘাত থামানোর দাবি ট্রাম্পের।
  • এত বড় সংকটের সমাধান করেও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ফ্লোরিডার সমাবেশে আক্ষেপ প্রকাশ।
  • সংঘাত মেটাতে কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি শুরু থেকেই সরাসরি অস্বীকার করে আসছে ভারত।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব আবারও নিজের দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই দেশকে যুদ্ধ থেকে দূরে রাখতে তিনি কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, তিনি দুই দেশকেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে সংঘাত না থামালে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানো হবে। তবে এত বড় বিরোধ মেটানোর পরেও তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই রিপাবলিকান নেতা।

নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প জানান, বাণিজ্যকে হাতিয়ার বানিয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে একাধিক বিরোধের নিষ্পত্তি করেছেন। ভারত ও পাকিস্তানের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশকেই বলা হয়েছিল যুদ্ধ চালিয়ে গেলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কোনো পণ্য বেচতে পারবে না এবং বিপুল অর্থ উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। ট্রাম্পের দাবি, এমন কড়া হুঁশিয়ারিতে উভয় পক্ষ ক্ষুব্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত গুলিবর্ষণ বন্ধ করে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তিনি নিজেই উপস্থিত জনতার সামনে প্রশ্ন তোলেন যে, এত বড় কাজ করার পরও তিনি কি নোবেল পেয়েছেন? পরে নিজেই হতাশা প্রকাশ করে 'না' উত্তর দেন।

তবে ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত মধ্যস্থতার দাবি কখনোই মেনে নেয়নি ভারত সরকার। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বরাবরই স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, দুই দেশের সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে কোনো তৃতীয় পক্ষের কোনো হাত ছিল না। ভারতের দাবি অনুযায়ী, কাশ্মীর সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার পর শুরু হওয়া 'অপারেশন সিন্দুর' চলাকালে পাকিস্তানের পক্ষ থেকেই প্রথম যুদ্ধবিরতির অনুরোধ আসে। পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) ভারতীয় সমকক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার পরই অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে নিজের শক্ত কূটনৈতিক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেই ট্রাম্প বারবার এমন নাটকীয় দাবি করছেন। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের ভূরাজনীতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং ভারত ঐতিহাসিকভাবেই কাশ্মীর বা সীমান্তবর্তী বিষয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ট্রাম্পের এমন দাবিকে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চমক হিসেবে দেখা হলেও তা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্য মূলত মার্কিন নির্বাচনে নিজের শক্তিশালী ইমেজ তুলে ধরার রাজনৈতিক কৌশল। ভারত ঐতিহাসিকভাবে দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে যেকোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। তাই ট্রাম্পের শুল্কের দাবির ভিত্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সবসময়ই বড় ধরনের সংশয় রয়েছে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম