Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

জাতিসংঘের বড় সংকটের মুখে সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
জাতিসংঘের বড় সংকটের মুখে সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

বাজেট সংকট, বড় দেশগুলোর দ্বন্দ্ব এবং বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে জাতিসংঘ বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। এমন এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সংস্থাটির সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই অধিবেশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখা বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
  • যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বাজেট ঘাটতির মতো কঠিন সংকটের সময়ে সংস্থাটির সংস্কারের অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ।
  • শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী হিসেবে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই নেতৃত্বকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

বিশ্বজুড়ে একের পর এক যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে জাতিসংঘ এখন কঠিন সময় পার করছে। পরাশক্তিগুলোর স্বার্থের লড়াই এবং সংস্থার অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক এই মঞ্চের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকেরা। এমন জটিল ও সংকটময় সময়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সভাপতি হিসেবে বৈশ্বিক এই গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

১৯৪৫ সালে মাত্র ৫১টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করা জাতিসংঘ বর্তমানে ১৯৩টি সদস্য দেশের বিশাল প্ল্যাটফর্ম। ১৯৭৪ সালে সদস্যপদ পাওয়ার পর থেকেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দারুণ সুনাম অর্জন করেছে। গত জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বড় সমর্থন পেয়ে সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন খলিলুর রহমান, যা বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় বাংলাদেশ বিশ্ব সংকটের টেকসই সমাধান এবং জাতিসংঘের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। শুধু সভাপতি পদই নয়, জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায়ও বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা উল্লেখযোগ্য দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এর মধ্যে রাবাব ফাতিমা এবং খন্দকার এম তালহার মতো শীর্ষ প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ উইং পরিচালনা করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সংকট যত গভীরই হোক, বাংলাদেশ কার্যকর ভূমিকা রেখে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে বদ্ধপরিকর।

তবে সংকট কাটিয়ে ওঠার এই পথটি মোটেও সহজ নয়। বিশ্বের বড় বড় শক্তির ভেটো ক্ষমতা এবং স্বার্থের দ্বন্দ্বের কারণে অনেক সময়েই শান্তি প্রচেষ্টা থমকে যাচ্ছে। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মসৃণ উত্তরণের বিষয়টিও বাংলাদেশের জন্য এক বড় পরীক্ষা। কূটনীতিকদের মতে, বাংলাদেশ যদি সব পক্ষকে এক টেবিলে এনে কার্যকর আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তবে তা শুধু জাতিসংঘের জন্যই নয়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ক্ষেত্রেও এক ঐতিহাসিক অর্জন হয়ে থাকবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“জাতিসংঘের বর্তমান সংকট কেবল কোনো একটি দেশের সমস্যা নয়, বরং এটি গোটা বিশ্বের বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া বাংলাদেশের জন্য যেমন এক বিরাট সম্মান, তেমনি কঠিন এক পরীক্ষা। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সুনাম থাকা বাংলাদেশ যদি বৃহৎ শক্তিগুলোর অনড় অবস্থান সত্ত্বেও ছোট ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে, তবে বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে দেশটির অবস্থান অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম