পাকিস্তানে বাস উল্টে শিশুসহ নিহত ১০, আহত ৪৪
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজনপুর জেলায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস সড়ক বিভাজকে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে এক শিশু ও দুই নারীসহ অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ৪৪ জন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
- পাঞ্জাবের সিন্ধু মহাসড়কের বাংলা হেদায়েত এলাকায় দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
- নিহত ১০ জনের মধ্যে সাতজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং একটি নিষ্পাপ শিশু রয়েছে।
- আহত ৪৪ জনের মধ্যে আশঙ্কাজনক কয়েকজনকে বিশেষায়িত বড় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজনপুর জেলায় ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে সিন্ধু মহাসড়কের রোঝান তহসিলের বাংলা হেদায়েত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের মাঝের আইল্যান্ড বা সড়ক বিভাজকে সজোরে ধাক্কা খেলে মুহূর্তেই তা উল্টে যায়। বিকট শব্দে বাসটি উল্টে যাওয়ার পর ভেতর থাকা যাত্রীদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।
উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২ জানায়, ভোর পৌনে ছয়টার দিকে খবর পেয়ে তাদের ১০টি অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনায় সাতজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আহত অন্তত ৪৪ জনকে উদ্ধার করে রাজনপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা চারজনকে ডেরা গাজী খান এবং দুইজনকে রহিম ইয়ার খানের শেখ জায়েদ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার পরপরই রাজনপুরের ডেপুটি কমিশনার ইমরান রাঞ্জা ও জেলা পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। স্থানীয় ওমরকোট থানার পুলিশ জানায়, বেপরোয়া গতি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে গাড়ি চালানোর অপরাধে বাসের চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। চালক প্রথমে পালানোর চেষ্টা করলেও পরে আহত অবস্থায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পাকিস্তানে দুর্বল সড়ক অবকাঠামো ও অতিরিক্ত গতির কারণে প্রায়ই এমন মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটছে। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পাঞ্জাবে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৩৫২টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে এবং তাতে অন্তত ১৪ জনের প্রাণ যায়। এর আগে গত সোমবারও মূলতানের বোসান রোডে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার বিভাজকে ধাক্কা খেয়ে আগুন ধরে গেলে পাঁচ তরুণ প্রাণ হারান। সড়ক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ না করলে এমন প্রাণহানি থামানো কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
“বেপরোয়া গতি এবং মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণের অভাব কীভাবে বহু পরিবারের জীবন ধ্বংস করে দেয়, রাজনপুরের এই দুর্ঘটনা তারই আরেকটি মর্মান্তিক উদাহরণ। শুধু মামলা দায়েরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি ও ট্রাফিক আইন কঠোর করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



