নতুন সেতু পার হয়ে চীনে গেলেন কিম জং উন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নতুন ইয়ালু নদী সেতু পার হয়ে চীনের সীমান্ত শহর ডানডংয়ে পৌঁছেছেন। তবে দুই দেশের পক্ষ থেকেই এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পর এবার দীর্ঘদিনের মিত্র চীনের সাথে বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক পোক্ত করতেই এই সফর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- এক দশকেরও বেশি সময় আটকে থাকার পর সম্প্রতি চালু হওয়া নতুন সেতু দিয়ে চীনে যান কিম জং উন।
- কিমের এই সফরের বিষয়ে চীন বা উত্তর কোরিয়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
- রাশিয়াকে যুদ্ধের জন্য সেনা ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার পর এবার চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগাতে চান কিম।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন সীমান্ত পেরিয়ে চীন সফর করেছেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রভাবশালী বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ। শনিবার সরকারি এক সূত্রের বরাতে সংস্থাটি জানায়, দুই দেশের সংযোগকারী নতুন ইয়ালু নদী সেতু পার হয়ে চীনের সীমান্ত শহর ডানডংয়ে পৌঁছান তিনি। তবে দুই দেশের কেউই এই সফরের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্মাণকাজ আটকে থাকার পর চলতি মাসের শুরুর দিকেই চালু হয় নতুন ইয়ালু নদী সেতুটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই পথ ব্যবহার করেই কিম জং উন চীনে প্রবেশ করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটিই কিমের চীনে প্রথম সরাসরি সফর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর কিংবা একীকরণ মন্ত্রণালয় এই খবরের সত্যতা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু জানায়নি।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হাজার হাজার সেনা ও বিপুল গোলাবারুদ পাঠিয়ে বড় ধরনের সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে উত্তর কোরিয়া। মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা খুব বেড়ে যাওয়ায় পুরোনো মিত্র বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্কের ভারসাম্য রাখা পিয়ংইয়ংয়ের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছিল। অর্থনৈতিক সংকটে ভোগা উত্তর কোরিয়ার টিকে থাকার বড় রসদ এখনও আসে চীনের কাছ থেকেই।
এর আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পিয়ংইয়ং সফরে গিয়ে বাণিজ্য, কৃষি, নির্মাণ ও প্রযুক্তি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিম জং উনও চীনের সাথে সম্পর্ককে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ভিত্তি মনে করেন। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সীমান্ত সেতু খুলে দেওয়া এবং কিমের এই আকস্মিক সফর চীন-উত্তর কোরিয়া বাণিজ্য ও রাজনৈতিক মৈত্রী আরও মজবুত করবে।
“রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার অতিরিক্ত সামরিক মাখামাখি চীন কিছুটা সতর্ক চোখে দেখছিল। নতুন সেতু চালু করা এবং কিমের চীন সফর মূলত বেইজিংকে আশ্বস্ত করা এবং অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের একটি নিখুঁত কূটনৈতিক চাল।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



