ময়মনসিংহ মেডিকেলে অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তদন্তের নির্দেশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নানা অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ময়লার ভাগাড়ে পড়ে থাকা এবং চিকিৎসক-নার্সদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। হাসপাতালের ময়লার ভাগাড়ে ক্যানুলা, সিরিঞ্জসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়ার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
- ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নানা অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ময়লার ভাগাড়ে পড়ে থাকা এবং চিকিৎসক-নার্সদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
- হাসপাতালের ময়লার ভাগাড়ে ক্যানুলা, সিরিঞ্জসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়ার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
- পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নানা অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ময়লার ভাগাড়ে পড়ে থাকা এবং চিকিৎসক-নার্সদের সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। হাসপাতালের ময়লার ভাগাড়ে ক্যানুলা, সিরিঞ্জসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়ার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এসব অব্যবস্থাপনা দেখতে পান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ড, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ডেঙ্গু ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। রোগীদের চিকিৎসাসেবা, ওয়ার্ডের পরিবেশ ও ওয়াশরুমের অবস্থাও তদারকি করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার হঠাৎ পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এর আগে হাসপাতালের ব্যবহৃত ক্যানুলা, সিরিঞ্জ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ময়লার ভাগাড়ে পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীদের সময়মতো হাসপাতালে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পরিদর্শনের হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে এক রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনে আনতে হয়েছে কেন, তা জানতে চান মন্ত্রী। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
একই সঙ্গে ওই রোগীকে স্যালাইন কেনার জন্য এক হাজার টাকা দেন। এ ছাড়া হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার কারণ জানতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জবাবে ছুটির কারণে প্রতিবেদন দিতে দেরি হয়েছে বলে জানানো হয়। এর আগে সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে জেলার ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিসরে টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ খাতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে ক্যানসার চিকিৎসার জন্য রেডিওথেরাপি মেশিন সরবরাহ, পাঁচটি রোবটিক সার্জারি ব্যবস্থা আনা এবং পাঁচ হাজার নার্স নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মিডওয়াইফ নিয়োগের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের হার বাড়ানো এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, পুরোনো কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার সাহা, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
“ঢাকা অঞ্চলে গৃহীত এ উদ্যোগ ও ঘটনাপ্রবাহের ক্ষেত্রে কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান এবং নাগরিক সুবিধার দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়াই সর্বোত্তম নীতি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



