মোহাম্মদপুরে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা সুমন গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা কামরুল ইসলাম সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। নাশকতার উদ্দেশ্যে নেতাকর্মীদের জড়ো করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।
- মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড এলাকা থেকে সাবেক ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
- কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে তিনি ঢাকায় ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
- আটক নেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে থানা কর্তৃপক্ষ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা কামরুল ইসলাম সুমনকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক সুমন মোহাম্মদপুর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কামরুল ইসলাম সুমন মোহাম্মদপুর থানার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি একই ওয়ার্ড কমিটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে থেকে দলের নানা গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে সুমন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন। মোবাইল ফোনে নির্দেশনা নিয়ে তিনি রাজধানীতে নাশকতা তৈরি এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে ঝটিকা মিছিল নামানোর পরিকল্পনা করছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, আটক নেতার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা বা নাশকতার অভিযোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হবে এবং নাশকতার যেকোনো অপচেষ্টা রুখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
“রাজধানীতে নিষিদ্ধ বা কার্যক্রম স্থগিত থাকা রাজনৈতিক শক্তির পুনর্গঠন ও আকস্মিক শোডাউন ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি যে জোরদার রয়েছে, এই গ্রেপ্তার তারই প্রমাণ। স্থানীয় পর্যায়ের সংগঠকদের নিষ্ক্রিয় রাখার মাধ্যমে সার্বিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় প্রশাসন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



