ইট নিয়ে ঝগড়া থামিয়ে চাচা ও ভাইয়ের কোপে প্রাণ গেল যুবকের
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় বাড়ির পাশে রাখা ইট নিয়ে বিরোধের জেরে চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শাহিন মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে থাকা সদ্যজাত সন্তান ও স্ত্রীর জন্য খাবার নিতে এসে ঝগড়া থামাতে গেলে তিনি হামলার শিকার হন।
- নরসিংদীর রায়পুরার খলাপাড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে যুবক শাহিন মিয়া খুন হয়েছেন।
- মাত্র তিন দিন আগে সন্তানের বাবা হওয়া শাহিন হাসপাতাল থেকে খাবার নিতে এসে বিরোধ থামাতে গিয়েছিলেন।
- অভিযুক্ত চাচা মোবারক হোসেন ও চাচাতো ভাই রাব্বিকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় পারিবারিক তুচ্ছ বিরোধের জেরে চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শাহিন মিয়া (২৫) নামের এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে। নিহত শাহিন ওই এলাকার আওলাদ হোসেনের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে রাখা ইট নেওয়াকে কেন্দ্র করে আওলাদ হোসেনের পরিবারের সঙ্গে তার ভাই মোবারক হোসেনের তর্কাতর্কি শুরু হয়। মাত্র তিন দিন আগে শাহিনের স্ত্রী অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। শাহিন ছুটি নিয়ে হাসপাতালে থাকা স্ত্রী ও নবজাতকের পাশে সময় কাটাচ্ছিলেন। দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া চলছে। কোনো কিছু না ভেবেই তিনি ঝগড়া থামাতে এগিয়ে যান।
এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে চাচা মোবারক হোসেন ও তার ১৭ বছর বয়সী ছেলে রাব্বি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শাহিনের ওপর হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। ছেলের এমন নির্মম মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন বাবা আওলাদ হোসেন। তিনি আহাজারি করে বলেন, তার ছেলের কোনো দোষ ছিল না, কেবল ঝগড়া মেটাতে গিয়েই তাকে জীবন দিতে হলো। তিনি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান চলছে এবং এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
“তুচ্ছ পারিবারিক কারণে সহনশীলতা হারিয়ে এভাবে আপনজনের হাতে প্রাণ যাওয়ার ঘটনা সামাজিক অবক্ষয়ের একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে। সদ্য বাবা হওয়া এক যুবকের এমন মৃত্যু কেবল একটি পরিবারকেই ধ্বংস করেনি, বরং সমাজে ছড়িয়ে থাকা অসহিষ্ণুতার নগ্ন রূপও প্রকাশ করেছে। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



