মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে নারী ও দুই কিশোরসহ সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক দেশীয় অস্ত্র এবং ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
- মোহাম্মদপুর এলাকায় বিশেষ অভিযানে নারী ও দুই কিশোরসহ মোট ১৩ ছিনতাইকারী আটক।
- আটককৃতদের কাছ থেকে সুইচ গিয়ার, ধারালো চাকু ও লোহার রডসহ ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল উদ্ধার।
- গ্রেপ্তার হাসনাইন হাসানের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে নারী ও কিশোরসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন পয়েন্টে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের ধরা হয়। এ সময় আসামিদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র এবং ছিনতাই হওয়া বেশ কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনটি সুইচ গিয়ার, দুটি ধারালো চাকু, চারটি লোহার রড, একটি করাত কাটার বিশেষ চাকু ও ছিনতাই করা চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া দলের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর ও একজন নারী সদস্য রয়েছেন। এছাড়া হাসনাইন হাসান নামের এক দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি এবং শেরেবাংলা নগর থানায় ইতোমধ্যেই অন্তত ছয়টি ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পথচারী, রিকশার যাত্রী, বাসের সাধারণ মানুষ এবং হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজনদের নিশানা বানিয়ে অপরাধ করে আসছিল। কখনো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে, আবার কখনো নারীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে ব্যাগ কেটে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিত তারা। মোহাম্মদপুরকে ছিনতাইমুক্ত করতে পুলিশের এই কঠোর অভিযান সামনেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। মোহাম্মদপুর এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এমন সাঁড়াশি অভিযান স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য কেবল সাময়িক অভিযান নয়, বরং নিয়মিত পুলিশ টহল ও সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
“মোহাম্মদপুরে কিশোর ও নারীদের যুক্ত করে ছিনতাইয়ের নতুন ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠা অত্যন্ত উদ্বেগের। এই গ্রেপ্তার জনমনে কিছুটা স্বস্তি দিলেও অপরাধের শিকড় উপড়ে ফেলতে এলাকাভিত্তিক সিসিটিভি নজরদারি এবং ধারাবাহিক টহল বাড়ানো জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



