জর্ডানে গির্জায় ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত অন্তত ৭
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কারাক গভর্নরেটের একটি গির্জায় শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান চলাকালে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ হামলাকারীদের ধরতে বড় অভিযান শুরু করেছে।
- জর্ডানের কারাক এলাকার একটি গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায় শেষকৃত্য চলাকালে এ হামলা চালানো হয়।
- গাড়িতে করে এসে দুই বন্দুকধারী রাইফেল ও পিস্তল দিয়ে ভেতরে উপস্থিত মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এখনও কোনো দল এই হামলার দায় নেয়নি, হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলের কারাক গভর্নরেটের হামুদ গ্রামে একটি গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায় ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সেখানে একটি শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান চলার সময় হঠাৎ বন্দুকধারীরা ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। আকস্মিক এই হামলায় ঘটনাস্থলেই অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৮ জন। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উপস্থিত লোকজন প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় গির্জা ও আশপাশের চত্বরে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। হঠাৎ একটি গাড়িতে করে দুই বন্দুকধারী সেখানে হাজির হয়। তাদের একজনের হাতে একটি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল এবং অন্যজনের হাতে পিস্তল ছিল। তারা কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া লোকজনকে লক্ষ্য করে কয়েক মিনিট ধরে একটানা গুলি ছোড়ে এবং দ্রুত গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে জর্ডানের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী। দেশটির সরকারের যোগাযোগবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আল-মোমানি জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জোর তদন্ত শুরু করেছে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তবে ঠিক কী কারণে এই রক্তক্ষয়ী হামলা চালানো হলো, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি দেশটির প্রশাসন।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ জর্ডানে খ্রিস্টানরা সাধারণত শান্তিপূর্ণভাবেই বসবাস করে থাকেন এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কারাক অঞ্চলে অতীতে বিক্ষিপ্ত কিছু সহিংসতার রেকর্ড থাকলেও সরাসরি গির্জায় ঢুকে এমন প্রাণঘাতী ঘটনা দেশটির সাধারণ মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। কোনো গোষ্ঠী এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেনি। স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি উঠছে।
“জর্ডানের মতো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল দেশে উপাসনালয়ে এমন হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি নিছক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নাকি কোনো সাম্প্রদায়িক বা স্থানীয় বিরোধের ফল, তা দ্রুত পরিষ্কার করা জর্ডান সরকারের জন্য অভ্যন্তরীণ শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় পরীক্ষা।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



