মেলানিয়া ট্রাম্পের চেষ্টায় ইউক্রেনের ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সরাসরি কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় রুশ-অধিকৃত ওলেশকি শহরে একটি স্থানীয় যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত হয়েছে। হোয়াইট হাউস ও ক্রেমলিনের অনুমোদনে দ্রুতই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য আটকে পড়া সাধারণ মানুষকে মানবিক সহায়তা দেওয়া ও বয়স্কদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া।
- ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে স্থানীয়ভাবে সাময়িক যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে একমত হয়েছে মস্কো ও কিয়েভ।
- ২০২২ সালের শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি রুশ সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- বিদ্যুৎহীন এবং মাইন বিছানো ধ্বংসস্তূপ থেকে বয়স্ক ও সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওলেশকি শহরে একটি স্থানীয় যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত হয়েছে। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সরাসরি মধ্যস্থতায় এই অপ্রত্যাশিত অগ্রগতি এসেছে বলে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। দুই দেশের সামরিক সংঘাতের মাঝে ওলেশকি শহরের সাধারণ নাগরিকদের কাছে জরুরি মানবিক সাহায্য পৌঁছানো এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া বয়স্ক মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়াই এই বিশেষ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর প্রথম দিক থেকেই নিপ্রো নদীর তীরবর্তী ওলেশকি শহরটি রুশ বাহিনীর দখলে চলে যায়। দীর্ঘদিন ধরে চলা গোলাগুলি, বিস্ফোরণ ও সংঘাতের কারণে শহরটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মেলানিয়া ট্রাম্পের দপ্তর জানায়, সেখানকার সাধারণ বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায়, মাইন বিছানো সড়ক এবং অবিরাম হামলার মুখে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বাইরের কার্যকর মধ্যস্থতা ছাড়া সেখানে ত্রাণ পাঠানো কিছুতেই সম্ভব হচ্ছিল না।
হোয়াইট হাউসের এই ঘোষণার পরপরই কিয়েভ ও মস্কো উভয়েই বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিশ্চিত করেছে। ইউক্রেন সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান যে শিগগিরই সেখানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর শুরু হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্রও জানিয়েছেন, রণক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সঠিক সময় ও নিয়ম নিয়ে তাদের সামরিক নেতৃত্ব কাজ করছে। মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতিনিধি দল সরাসরি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে আলোচনা করে এই শর্তগুলো চূড়ান্ত করেছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন কূটনৈতিক কৌশলের আওতায় এটি একটি বিরল অগ্রগতি। পুরো সংঘাত থামাতে যেখানে নানা জটিলতা চলছে, সেখানে ফার্স্ট লেডির এই মানবিক উদ্যোগ দুই দেশের বেসামরিক কর্মকর্তাদের একসঙ্গে কাজ করার একটি ক্ষেত্র তৈরি করল। তবে এই সীমিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি মাঠে কতটা স্থায়ী হয় এবং সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদে সরে যেতে পারেন, তার ওপরই নির্ভর করছে এর চূড়ান্ত সাফল্য।
“ফার্স্ট লেডির মাধ্যমে এমন স্পর্শকাতর সামরিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা আধুনিক কূটনীতিতে বেশ বিরল। এটি মূল শান্তি আলোচনার আগে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি মানবিক পরীক্ষার মতো কাজ করতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



