দয়াগঞ্জের সেই গুমটিঘর এলাকায় পুলিশের বড় অভিযান, গ্রেপ্তার ২৮
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিংয়ের বিতর্কিত গুমটিঘর এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে এই এলাকায় অস্ত্র হাতে এক রাজনীতিবিদের তথাকথিত অভিযানের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল।
- দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং সংলগ্ন গুমটিঘর এলাকায় শুক্রবার অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
- গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এক শিশুকেও আইনের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
- একই এলাকায় গত ১৭ অক্টোবরের বিতর্কিত ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান চলছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং সংলগ্ন আলোচিত গুমটিঘর এলাকায় আবার বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার পরিচালিত এই বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আখড়া হিসেবে পরিচিত হওয়ায় পুলিশ এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে শামসুল হক, ইকবাল হোসেন জিহাদ, আরাফাত হোসেন শামীম ও সেন্টু মিয়াসহ মোট ২৭ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকেও আইনের আওতায় নিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, এই গুমটিঘর এলাকাটি সম্প্রতি দেশজুড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। গত ১৭ অক্টোবর এখানে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ‘অভিযান’ চালাতে গিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী, যার জেরে তাকে পদত্যাগও করতে হয়। সেই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এর আগে ১৯ অক্টোবর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও এসআরবি যৌথ অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে কারাদণ্ড দেয় এবং পরদিন আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দয়াগঞ্জ ও আশপাশের এলাকাকে অপরাধমুক্ত না করা পর্যন্ত এই ধরনের যৌথ ও আকস্মিক তল্লাশি নিয়মিত চলবে। রেললাইন ও নির্জন জায়গাগুলোকে ব্যবহার করে গড়ে ওঠা মাদক নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে দিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা চেয়েছে পুলিশ।
“দয়াগঞ্জের গুমটিঘর এলাকায় ধারাবাহিক পুলিশি অভিযান প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক বিতর্কের পর প্রশাসন এলাকাটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর হয়েছে। তবে শুধু গ্রেপ্তার করলেই মাদক সমস্যা মিটবে না, বরং এই স্পটগুলোতে স্থায়ী নজরদারি ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



