জামালপুরে টোল নিয়ে সাংবাদিকের ছেলেকে মারধর, সড়ক অবরোধ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র সেতুতে টোল দিতে দেরি হওয়ায় এক গণমাধ্যমকর্মীর ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুর-শেরপুর সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগীর স্বজনেরা।
- ব্রহ্মপুত্র সেতুতে মোটরসাইকেলের ৫ টাকা টোল দিতে দেরি হওয়ায় সাংবাদিকপুত্র সুমনের ওপর হামলা হয়।
- ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে শহিদুল ইসলাম তুফান নামের এক গণমাধ্যমকর্মীকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।
- হামলার প্রতিবাদে ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় সড়ক অবরোধ করায় তীব্র যানজট তৈরি হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র সেতু টোলপ্লাজায় টোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক গণমাধ্যমকর্মীর ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে টোল আদায়কারীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলের মাত্র পাঁচ টাকা টোল পরিশোধে সামান্য দেরি হওয়ায় এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী যুবকের নাম সুমন। পরে ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা সেখানে বিষয়টি জানতে গেলে তাদের ওপরও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে শহিদুল ইসলাম তুফান নামের এক সাংবাদিক আহত হন। এই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা জামালপুর-শেরপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেলটি একপাশে দাঁড় করিয়ে রেখে টোল দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সুমন। সে সময় টোল আদায়ের দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে কর্মচারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে সুমনের ওপর চড়াও হন ও তাকে মারধর করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে সুমনের পরিচিতজন ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা টোলপ্লাজায় পৌঁছে কারণ জানতে চান। তখনই সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং টোল কর্মচারীদের লাঠির আঘাতে সাংবাদিক তুফান আহত হন।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আহত সাংবাদিকের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে শহরের বন্দেরবাড়ী এলাকায় অবস্থান নেন। এরপর তারা ব্রহ্মপুত্র সেতুর জামালপুর অংশের টোলপ্লাজার সামনে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। এর ফলে সেতুর উভয় পাশে শত শত যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী সুমন অবিলম্বে হামলাকারী টোল কর্মচারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। জামালপুর সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুল জান্নাত শাহ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সেতুটির অবস্থান দুই জেলার সংযোগস্থলে হওয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
“টোলপ্লাজায় সামান্য টাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হওয়া এবং গণমাধ্যমকর্মীদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা ও টোল ইজারাদারদের ব্যবস্থাপনার বড় দুর্বলতা প্রকাশ করে। দ্রুত আইনি পদক্ষেপ না নিলে স্থানীয় অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



