চীনের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

চীনের উত্তর তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, নাগকু এলাকায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর কেন্দ্রস্থল। এর কিছুক্ষণের মধ্যে কাছাকাছি আরেকটি কম্পনও রেকর্ড করা হয়।
- উত্তর তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
- ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
- প্রথম কম্পনের কিছুক্ষণ পরেই ওই অঞ্চলে আরেকটি ভূকম্পন অনুভূত হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
চীনের স্বায়ত্বশাসিত তিব্বত অঞ্চলে শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের (সিইএনসি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর তিব্বতের নাগকু এলাকায় আকস্মিকভাবে পুরো ভূখণ্ড কেঁপে ওঠে। হঠাৎ এমন তীব্র ঝাঁকুনিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে খোলা জায়গায় নেমে আসেন।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকুতে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত ছিল। অগভীর ভূগর্ভে সৃষ্টি হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বেশ ভালোভাবেই টের পাওয়া যায়। এর মাত্র কয়েক মিনিট পর কাছাকাছি আরেকটি কম্পন রেকর্ড করে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। দ্বিতীয় কম্পনটির গভীরতা ছিল প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পের পর স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নেমেছে। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। তবে উদ্ধারকারী দলগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে প্রত্যন্ত গ্রামগুলো থেকে খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই সহায়তা পৌঁছানো যায়।
হিমালয় সংলগ্ন এই অঞ্চলটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে থাকায় প্রাকৃতিকভাবেই অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। এর আগে আগস্ট মাসে নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। সেই দুর্যোগের রেশ কাটতে না কাটতেই এই শক্তিশালী ভূকম্পন স্থানীয়দের মধ্যে বাড়তি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
“হিমালয় টেকটনিক বেল্ট অত্যন্ত সক্রিয় হওয়ায় তিব্বত ও আশপাশের অঞ্চলে প্রায়ই তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। অগভীর কেন্দ্রস্থলের কারণে ৭ মাত্রার ভূকম্পন সাধারণত প্রাণঘাতী হতে পারে, তবে তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের পাতলা জনবসতি সম্ভাব্য জানমালের ক্ষতি কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



