সৌদিতে ক্ষে’পণা’স্ত্র হা’মলায় নি’হত শাহেদের ম’রদেহ আসছে শুক্রবার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে আসছে আগামীকাল শুক্রবার। মরদেহ বহনকারী উড়োজাহাজটি সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে আসছে আগামীকাল শুক্রবার।
- মরদেহ বহনকারী উড়োজাহাজটি সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
- বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে আসছে আগামীকাল শুক্রবার। মরদেহ বহনকারী উড়োজাহাজটি সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমানবন্দরের ৮ নম্বর কার্গো গেটে শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শাহেদসহ ১৪ জন নিহত হন। শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে।
তার বাবার নাম মো. রফিকুল ইসলাম ও মায়ের নাম শাহেরা বেগম। শাহেদ সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেশটিতে তার বৈধ কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) ছিল।
ভাইয়ের মৃত্যুর কারণে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি। ছুটি কাটিয়ে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফেরার পথে বিমানবন্দরে হামলার শিকার হয়ে তিনি প্রাণ হারান। উল্লেখ্য, ওই হামলায় শাহেদ ছাড়া আরও এক বাংলাদেশি নিহত হন। তার নাম মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরী। নাসরুল্লাহর বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামে।
“আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় সংঘাত ও অর্থনৈতিক অবরোধ পরিহার করে টেকসই কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। বেসামরিক জনগণের জানমাল রক্ষা ও অবাধ মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করাই বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



